চলতি আসরের বিশ্বকাপে আগেই সেমি নিশ্চিত করে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেমিতে এক পা দিয়ে থাকা নিউজিল্যান্ডের আরেক পা টেনে ধরে ছিল পাকিস্তান। তবে সেই সমীকরণের লক্ষ্য এতোই বিশাল ছিল যে, আগভাগেই পাকিস্তানকে সেমিতে না খেলার ইঙ্গিত দিয়েছিল আইসিসি। শেষমেষ হলোও তাই।
সেমির জন্য পাকিস্তানকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৮৭ রানে জিততে হতো। তাহলেই কিউইদের রানরেট টপকাতে পারতো পাকিস্তান। কিন্তু ইংল্যান্ড শুরুতে ব্যাটিং নেওয়ায় সেই সম্ভাবনা মুহূর্তেই মিলিয়ে গেছে। তার পর ইংল্যান্ড ৯ উইকেটে ৩৩৭ রান করায় অসম্ভব এক সমীকরণের সামনে ছিল তারা। ৪০ বলের মধ্যে তিনশোর বেশি রান করা লাগতো। যদিও পাকিস্তান ম্যাচটা হেরেছে ৯৩ রানের ব্যবধানে।
ফলে প্রথম সেমিফাইনালে স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে গত দুই আসরের রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড। যা গত বিশ্বকাপের পুনরাবৃত্তি। মুম্বাইয়ে ম্যাচটা হবে বুধবার। তার একদিন পর অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় সেমিতে মুখোমুখি হবে।
ভারত-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচে শক্তির পাশাপাশি যে স্নায়ুর যুদ্ধ চলবে তা বলাই যায়। অ্যানালাইটিকদের ধারনা, যদি নিউজিল্যান্ড আগে ব্যাট করতে পারে তবে ভারতের সামর্থ্য ও স্নায়ুর মধ্যে কিছুটা কনফ্লিক্ট ঘটে যেতে পারে। আর ভারত আগে ব্যাট করলে পাল্লাটা তাদের দিকে ভারী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
অপরদিকে, চলতি আসরের সময় যতো গড়াচ্ছে, অস্ট্রেলিয়া ততোই ‘অস্ট্রেলিয়া’ হয়ে উঠছে। ক্রমেই ছন্দে ফিরছেন ব্যাটারা। ট্রাভিস হেড, ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলদের সঙ্গে যোগ হয়েছেন ক্লাসিক স্মিথ।
আর টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি নিয়ে নিয়ে তলোয়ারের মতো ব্যাট চালানো দক্ষিণ আফ্রিকা কী এবার চোকার তকমা ছেঁটে ফেলতে পারবে, শুক্রবার তা দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব।