ভারত সিরিজের আগে যত রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে টাইগাররা

ভারতে দুই ম্যাচের টেস্ট শুরু হওয়ার আগে বেশ কিছু মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা।

এছাড়া পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের পর প্রথমবারের মতো ভারতকে হারানোর বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ।

প্রথম টেস্টের ভেন্যু চেন্নাইয়ে ইতোমধ্যেই পৌঁছে গেছে টাইগাররা। শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। কানপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে  ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে।

টেস্ট ফরম্যাটে এখনও ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে ১৩ টেস্ট খেলে ১১টিতে হার এবং দু’টি টেস্ট ড্র করেছে টাইগাররা। ড্র হওয়া টেস্ট দুটোর বেশিরভাগ সময়ই বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছিলো। নয়তো ওইগুলোতেও হারতে হতো টাইগারদের।

এবার এই সিরিজ দিয়ে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। ইতোমধ্যে ৯টি দেশের বিপক্ষে টেস্ট জিতেছে টাইগাররা। ভারতকে হারাতে পারলে বাংলাদেশের জয়ের সংখ্যা দুই অংকে পা রাখবে।

তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান স্পর্শ করতে ৯ রান দূরে রয়েছেন দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। এক্ষেত্রে শীর্ষে আছে গত বছর থেকে ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। তার রান ১৫ হাজার ১৯২। আর মুশফিকের রান ১৫ হাজার ১৮৪। দারুণ ছন্দে থাকায় ভারতের বিপক্ষে সিরিজেই তামিমের রেকর্ড দখলে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ মুশফিকের সামনে।

সাকিব আল হাসানের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টেস্টে ২০০ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ থাকছে বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের। এজন্য ৫ উইকেট প্রয়োজন তার। পাকিস্তান সিরিজেই এই রেকর্ড স্পর্শ করার সুযোগ ছিলো তাইজুলের সামনে। কিন্তু টিম কম্বিনেশনের কারণে কোন ম্যাচই খেলার সুযোগ পাননি তাইজুল।

ভারতের বিপক্ষে সিরিজে ৭ উইকেট নিতে পারলেই বাংলাদেশের চতুর্থ বোলার হিসেবে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ৩০০ উইকেটের মালিক হবেন পাকিস্তান সিরিজের সেরা খেলোয়াড় স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। এই তালিকায় সবার উপরে আছেন সাকিব। এখনও পর্যন্ত তিনি নিয়েছেন ৭০৮ উইকেট। পরের দুই স্থানে আছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা ও মুস্তাফিজুর রহমান। মাশরাফি ৩৮৯ ও মুস্তাফিজ ৩২৩ উইকেট শিকার করেছেন।