অষ্ট্রেলিয়ার কাছে আরও সফরের দাবি জানালেন শান্ত

অস্ট্রেলিয়ার পেস ও বাউন্সে ভরা ম্যাকে টেস্টে মাত্র দুই দিনেই ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে হাহাকার ছড়িয়েছে ঠিকই, কিন্তু মাঠের বাইরে মিলেছে এক অবিশ্বাস্য সুখবর! ডারউইনে প্রথম টেস্টের ঐতিহাসিক জয়ের ওপর ভর করে আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ লাফিয়ে সরাসরি ৬ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ দল।

ইতিহাস গড়ে নবম স্থান থেকে প্রথমবারের মতো ছয় নম্বরে পৌঁছানোকে 'বিশাল অর্জন' হিসেবে দেখলেও টেস্টের হতশ্রী পারফরম্যান্সে তীব্র আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ডারউইনে জয়ের সুবাদে বাংলাদেশ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নয় দলের তালিকায় চার নম্বরে অবস্থান করছে। তবে ছয়ে ওঠার ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে পুরোপুরি উপভোগ করতে পারছেন না টাইগার অধিনায়ক।

Mackay Test 01
ম্যাকে টেস্টের পিচে মিচেল স্টার্কের তোপের মুখে পড়ে প্রথম ইনিংসে ৬৪ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রানে গুটিয়ে যায় শান্তবাহিনী। স্টার্ক একাই ম্যাচে নেন ১০ উইকেট। ম্যাচ শেষে শান্ত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ৬ নম্বরে পৌঁছানো নিঃসন্দেহে দারুণ খবর এবং এটি একটি বিরাট অর্জন। কিন্তু আমরা যদি এই টেস্টে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারতাম, তবে আনন্দটা আরও অনেক বেশি হতো।

২০০৩ সালের পর দীর্ঘ ২৩ বছর পর ক্যাঙ্গারুর দেশে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাওয়ার নির্মম বাস্তবতা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন শান্ত। তিনি স্পষ্ট জানান, অসিদের কন্ডিশন ও বিধ্বংসী বোলিং আক্রমণের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া এক-দুই দিনে সম্ভব নয়। দলের ৯০ ভাগ সদস্যের অস্ট্রেলিয়ায় খেলার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না।

শান্ত জোরালো দাবি জানিয়ে বলেন, ২৩ বা ২৫ বছর পর পর এক বার এসে কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো অসম্ভব। আমরা নিয়মিত এই ধরনের কন্ডিশনে খেলতে চাই। বিসিবি ও ক্রিকেট বোর্ডের কাছে আমার অনুরোধ, অস্ট্রেলিয়ায় যেন বাংলাদেশকে নিয়মিত খেলার সুযোগ দেওয়া হয়। বারবার আসার অভিজ্ঞতা পেলেই কেবল এখানকার পেসি ও বাউন্সি উইকেটে মানিয়ে নিয়ে অসিদের হারানো সম্ভব।

সূত্র: ইএসপিএন ক্রিকইনফো