সৌদি ক্লাবের বিপক্ষে মাঠে নামতে মুখিয়ে আছেন লিওনেল মেসি

আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না, কথাটা লিওনেল মেসির। সৌদি ক্লাবগুলোর বিপক্ষে মাঠে নামতে মুখিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ইন্সটাগ্রামে এক পোস্ট দিয়ে রিয়াদ সিজন কাপ ঘিরে এমনই উত্তেজনা প্রকাশ করলেন এলএমটেন। না হওয়ার উপায় কী? এখানেই তো শেষবারের মতো মুখোমুখি লড়তে যাচ্ছে মেসি আর রোনালদো।

মেসি তার পোস্টে বলেন, আমি আর ওয়েট করতে পারছি না। রিয়াদ সিজন কাপে ইন্টার মায়ামির হয়ে সৌদির শীর্ষ ক্লাবগুলোর বিপক্ষে খেলতে মুখিয়ে আছি।

যদিও মেসির সেই পোস্টটা প্রমোশনাল... তবুও ফের মাঠে নামতে লিওর এই অস্থিরতার যথেষ্ট যুক্তিও আছে। লিগ থেকে ইন্টার মায়ামির আগেভাগে বাদ পড়া, ইনজুরি, ছুটি সব মিলিয়ে লম্বা সময় মাঠের বাইরে বিশ্বরে সেরা এই প্লেমেকার। এরইমধ্যে মেসি ফিরেছেন গোলাপি শিবিরে। সামনে বিজি শিডিউল, লম্বা রেসের জন্য প্রস্তুতিটা চাই ষোলো আনা। আর সেই প্রস্তুতির ড্রেস রিহার্সেলটা সারা হবে রিয়াদ সিজন কাপ দিয়ে।

এমন রোমাঞ্চকর ম্যাচের ঘোষণা এসেছিলো গেলো মাসে। নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সফরের সিদ্ধান্ত নেয় ইন্টার মায়ামি। তারই অংশ হিসেবে রিয়াদ সিজন কাপে সৌদিতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে মেসি বাহিনী। ২৯ জানুয়ারি মেসিদের প্রতিপক্ষ নেইমারের আল-হিলাল। আর পয়লা ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে সেই শোকেস ম্যাচ। মুখোমুখি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর লিওনেল মেসি। 

ফুটবল দুনিয়ার দুই মহাতারকার মহারণের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে সৌদি আরবের কিংডম অ্যারেনা। উত্তেজনার পারদ চড়েছে সমর্থকদের মনেও। মাঠে বসে এই ম্যাচ দেখতে হলে গুনতে হবে মোটা অর্থ, তবে এসবে তাদের থোরাই কেয়ার।

এর আগে গত বছর এক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলো মেসির পিএসজি আর রোনালদোর আল নাসর। দুই বছর পর দুই মহারথীর দ্বৈরথ দেখতে ৭.৫ লাখ ইউরো খরচা করে দর্শকরা পায়নি সেই ম্যাচের টিকেট।

ফুটবল দুনিয়ায় এই দুইয়ের লড়াইয়ের শুরুটা সেই ২০০৮ সাল থেকে। সময়ে সাথে যা হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম সেরা লড়াই। আর সময়ই এখন দুজনকে বানিয়েছে দুই মহাদেশের বাসিন্দা। ধারণা করা হচ্ছে ইন্টার মায়ামি বনাম আল নাসরের এই ম্যাচটাতেই শেষবারের মতো মুখোমুখি হবেন এই দুই সুপারহিরো।