দামই কমছে না সবজি, মাছ-মাংস ও ডিমের

সবজি থেকে শুরু করে মাছ-মাংস-ডিম, সেই সাথে পেঁয়াজ-রসুন-আদা কোন কিছুর দামই সেভাবে কমছে না। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও, নানা অজুহাতে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের চাওয়া যে কোনো উপায়ে কমে আসুক পণ্যমূল্য।

বাজারে পণ্যের দাম না কমলেও, সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে গেলো এক সপ্তাহে কমে গেছে ১০টি পণ্যের দাম।

বাজারে সবজির সমারহ। বেগুন-করলা-ঝিঙে-পটল-কাঁকরোল-বরবটি সুন্দর করে সাজানো, দেখলেই ক্রেতার চোখ জুড়িয়ে যায়। তবে, চোখ জুড়ালেও, মন ভরে এসব সবজি কিনতে পারছেন না সব ক্রেতা। কারণ ৫০ টাকার নিচে তেমন কোন সবজিই পাওয়া যায় না।

মাংস খাবেন, সে উপায়ও নেই সবার। কারণ ব্রয়লার মুরগীর কেজিও যে এখনও দুইশ টাকা। এছাড়া সোনালী ২৮০, লেয়ার ৩৪০, গরুর মাংস ৮শ’ এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১শ’ থেকে ১৩শ’ টাকা কেজি। যদিও ক্যামেরার সামনে দাম কমিয়ে বললেন মাংস বিক্রেতারা। 

আমদানি করেও কমানো যাচ্ছে না পেঁয়াজের ঝাঁঝ। পাইকারিতে ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৮ টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বাজারে এখনও দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজিতে।

আদা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। রসুন কিনতে হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকায়। 

দ্রব্যের ঊর্ধ্বমূল্যে নাভিশ্বাস উঠা ক্রেতারা বলছেন, কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসুক।

আরও পড়ুন: আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় চামড়া রপ্তানি বাড়ছে না, অভিযোগ উদ্যোক্তাদের

টিসিবির তথ্য অবশ্য বলছে, এক সপ্তাহে ময়দা, সয়াবিন তেল, খোলা পাম অয়েল, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার মতো ১০টি পণ্যের দাম কমেছে। যে সময়ে দাম বেড়েছে মাত্র ৩টি পণ্যের।


একাত্তর/আরএ