বিশ্বে বড় বাজার থাকা সত্ত্বেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় চামড়াখাতে রপ্তানি বাড়ছে না বলে অভিযোগ করেছেন উদ্যোক্তারা। এ শিল্পের উন্নয়নে সরকারি নীতি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৭ম চামড়া মেলায় এ কথা বলেন তারা।
দেশে প্রতি বছর চামড়া উৎপাদন হয় ২২ কোটি বর্গফুট। এসব চামড়ার অর্ধেক ব্যবহার হয় চামড়াজাত পণ্য তৈরিতে। বাকিটা প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করা হয়। দেশের চামড়া খাতের উন্নয়ন ও রপ্তানি বাড়াতে আন্তর্জাতিক এ প্রদর্শনী।
উদ্যোক্তারা বলছেন, কারখানার পরিবেশ ভালো না হওয়ার চামড়ার আন্তর্জাতিক ক্রেতা জোট এলডবলুজি সার্টিফিকেট পাচ্ছে না ট্যানারিগুলো। এতে ভালো দামে পণ্য বিক্রি করা সক্ষম হচ্ছে না। চামড়াখাতে রপ্তানি বাড়াতে ট্যানারির সিইটিপিসহ সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নের দাবি ট্যানারি মালিকদের। একইসাথে সরকারি নীতি সহায়তার তাগিদও দেন তারা।
ট্যানার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, লাইসেন্স পাওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার জন্য নানান ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পোহাতে হয়।
চামড়া শিল্পের টেকসই সফলতা পেতে গবেষণায় জোর দেয়ার তাগিদ খাত বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, বড় কারখানার সঙ্গে ছোট কারখানাগুলোকেও রপ্তানিতে সহায়তায় করতে হবে।
লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিস এসোসিয়েশন সভাপতি মুশফিকুর রহমান বলেন, আমরা নানান ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হই। বার বার আমাদের স্থান পরিবর্তন করতে হয়।
দেশে চামড়াখাতে সঠিক কর্ম পরিবেশের অভাবে সফলতা মিলছে না বলে জানান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মহাপরিচালক। তবে এ শিল্পের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানা তিনি।
আরও পড়ুন: ঢাকায় মশলার সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার ক্রেতা শূন্য
ইপিবি চেয়ারম্যান বলেন, চামড়াজাত পণ্য খাতে বেশি কিছু ইস্যুস আছে। এখনও পর্যন্ত আমরা তেমন কোন সমাধান দেখতে পাচ্ছিনা।
চামড়াখাতের তিন দিনব্যাপী এ মেলায় অংশ নিচ্ছে দেশি-বিদেশি ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান। প্রদর্শনী চলবে শনিবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।
একাত্তর/আরএ
