শুল্ক কমিয়ে পণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয়: সিপিডি

বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি শুধু আমদানিজনিত উচ্চমূল্যের কারণে নয়। তাই শুল্ক কমিয়ে জিনিসপত্রের দাম কমানো সম্ভব নয় বলে মনে করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। আসছে বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণ করা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মনে করে তারা।

বাজেটের কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে ঋণ নির্ভরতা রিজার্ভ ও রাজস্ব আয়ের ওপর প্রভাব ফেলছে বলেও মনে করছে সিপিডি।

মাসের পর মাস দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নাভিশ্বাস উঠেছে দেশের বেশিরভাগ মানুষের। কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় চড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি, সরকারি হিসাবেই গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছাকাছি।

এই পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই আগামী বাজেটের লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে সুপারিশ গবেষণা সংস্থা সিপিডির।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, মূল্যস্ফীতি চাপটাকে মাথায় রেখে সরকার কীভাবে বাজেটে মূল্যস্ফীতি থেকে মানুষকে রেহাই দিবে সেটি নিয়ে কাজ করা উচিত। সহসাই এ পরিস্থিতি থেকে ফেরত আসা যাবে, তা নয়। সেজন্যই আমরা কতোটা করতে পারবো তা মাথায় নিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা উচিত।

ডলারের সংকট মোকাবেলায় দেশ থেকে অর্থপাচার ঠেকাতে সরকারি সংস্থাগুলোর দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

সিপিডি ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচী করতে হবে। তবে, সবার আগে ঋণের ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে হবে। আমরা এখনো দুই-একটা বাদে বেশিরভাগ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম দেখতে পাচ্ছি না।

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিড়ি-সিগারেটসহ তামাক পণ্যে সারচার্জ ৫ শতাংশ এবং তামাক কোম্পানির কর্পোরেট কর বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ সিপিডির।