পরিবেশ ইস্যুতে রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গেল কয়েক বছরের চামড়া এখনও মজুদ আছে সাভারের ট্যানারিগুলোতে। ফলে যোগান থাকলেও চাহিদা কমছে লবণজাত চামড়ার।
তাই মাঠ পর্যায়েও দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। চামড়া শিল্প খাতের সুদিন ফেরাতে তাই পরিবেশ দূষণ রোধের তাগিদ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাভারের ট্যানারি শিল্প এলাকায় বড় একটি অংশ রাখা হয়েছে বনায়নের জন্য। কিন্তু সেখানে গাছ নয় ফেলে রাখা হয়েছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য স্তূপ হতে হতে চলে এসেছে এক মাইল দূরে।
কথা ছিল এই সিইটিপির মাধ্যমে পরিশোধন করা হবে সব বর্জ্য। তাই পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু এই শিল্প নগরীর কোথায় তীব্র গন্ধে টেকা দায়। আর কারখানার ড্রেন হয়ে দূষিত পানি সরাসরি গিয়ে পড়ছে ধলেশ্বরীতে।
বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে পরিবেশের এমন দূষণের কারণে চেষ্টা করেও মেলেনি এলডাব্লিউজি’র ছাড়পত্র। ফলে পশ্চিমের সব কোম্পানিই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে দেশের চামড়া শিল্প থেকে।
রপ্তানি বাজারের এমন ধ্বসে প্রতি বছরের চামড়ার মজুদ শেষ হচ্ছে না। ফলে কোরবানিতে চামড়ার যোগান বাড়লেও চাহিদা নেই ট্যানারি গুলোতে। যার সরাসরি প্রভাব এবারও পড়েছে কাঁচা চামড়ার বাজারে।
সরকার ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির সুযোগ দেয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে বলে জানান ট্যানার্স সমিতির নেতারা। সেসাথে শিল্প নগরীর পরিবেশ উন্নয়নেরও কাজ চলছে।
ধলেশ্বরীর কোলঘেষা এই শিল্প এলাকার দ্রুত আধুনিকায়ন না করলে শুধু চামড়ার শিল্প নয় বুড়িগঙ্গার মতো মৃত্যুর মুখে পড়বে এই নদীটিও।
একাত্তর/এআর