কোটা আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেছে অজ্ঞাত আরেক মরদেহ। এ নিয়ে ঢাকাতেই দুইজনের মৃত্যুর খবর এলো।
এছাড়া চট্টগ্রাম ও রংপুরে নিহত হয়েছেন আরও চারজন। সব মিলিয়ে দেশের তিন মহানগরে ছয়জনের মৃত্যু হলো।
মঙ্গলবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেন ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া।
সন্ধ্যার দিকে আসে আরেক মরদেহ। পরিচয়হীন ওই যুবক ঢাকা সিটি কলেজের সামনে আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। পরে পথচারীরা তাকে ধরাধরি করে কাছের পপুলার হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স চালক আলী মিয়া তাকে সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে নিয়ে যান ঢাকা মেডিকেলে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে তার বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হবে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, নিহত যুবকের মাথায় আঘাত রয়েছে। তার পড়নে জিনস ও কালো গেঞ্জি। মরদেহটি জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।