কোটা আন্দোলনের সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে চট্টগ্রামে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন। এদের মধ্যে একজন বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের নেতা।
মঙ্গলবার নগরীর মুরাদপুর ও ষোলশহর এলাকায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় কোটা আন্দোলনকারীরা। সেখানে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এরপর বিকেলে আহত কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সেখানেই তিনজন মৃত ঘোষণা কা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন সিএমপির কমিশনার সাইফুল ইসলাম।
নিহত তিনজনের মধ্যে দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন- ওয়াসিম আক্তার (২২) ও মো. ফারুক। আরেকজনের পরিচয় এখনো মেলেনি।
ওয়াসিম আক্তার চট্টগ্রাম কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। আর পথচারী ফারুক ছিলেন পেশায় শ্রমিক।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দপ্তর সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ইদ্রিস আলী বলেছেন, ওয়াসিম আকরাম চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের নেতা ছিলেন।

এদিন সংঘর্ষে আগে আন্দোলকারীদের সঙ্গে একটি ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়ানো আকরামের ছবি ফেসবুকে আপলোড করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামের বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ওয়াসিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
এদিকে নিহত পথচারী ফারুকের বয়স আনুমানিক ৩২ বছর বলে জানা গেছে। তিনি রট আয়রনের মিস্ত্রি ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়াতে।
চট্টগ্রামে সংঘর্ষে আহত অন্তত ৪০ জনকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষের মধ্যে ঢাকা কলেজের সামনে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এদিকে রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাইদ নিহত হন।
শিক্ষার্থীদের হামলার শিকার ঢাবি শিক্ষক