জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের ওপর পুলিশি হামলার বিচারের দাবিতে ১৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। অন্যথায় কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। তবে পুলিশ বলছে, রাস্তা অবরোধ করে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে।
এর আগে শনিবার দুপুর ৩টার পর থেকে বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের কর্মচারীরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় অবস্থা নিলে সচিবালয় ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
ঠিকাদার পদ্ধতি বাতিল করে সব কর্মচারীকে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে স্থায়ীকরণের দাবি না মানা পর্যন্ত সড়ক না ছাড়ার ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা।
কর্মসূচিতে সারাদেশ থেকে আগত সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং হিসেবে কর্মরত কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেয়।
এসময় জনভোগান্তি এড়াতে সড়ক ছেড়ে দেয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করে পুলিশ। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ওপর জলকামান দিয়ে পানি এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
এসময় আহত হয় বেশ কয়েকজন। আটক করা হয় আরও কয়েকজনকে। পুলিশের দাবি, জনভোগান্তি এড়াতেই আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, জনভোগান্তি এড়াতেই আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় পরপরই হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবিতে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।
আগামীকাল রোববার সকাল ১০টার মধ্যে বিচার নিশ্চিত না হলে কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।