দুদকের মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস ও আমির খসরু

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে খালাস দিয়েছে আদালত। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসকে পৃথক ১৫ মামলায় ও আমির খসরুকে এক মামলায় খালাস দেয় আদালত ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন। মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী সরকারি বার্তা সংস্থাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পৃথক ১৫টি মামলা মধ্যে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রত্যেক মামলায় আসামি করা হয়। অপর আসামিরা হলেন- এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. শহীদ আলম। রায়ে মির্জা আব্বাস ছাড়া বাকি ১১ জনকেও খালাস দেয় আদালত।

এছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এক মামলায়, আহমেদ আকবর সোবহানকে দুই মামলায়, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ, আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়। তারা প্রত্যেকেই এসব মামলায় খালাস দেয় আদালত।

মামলাগুলোর অভিযোগে বলা হয়, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউক কর্তৃক সাজানো দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ পছন্দের ব্যক্তিদের পাইয়ে দিয়ে তারা প্রকারান্তরে নিজে লাভবান হয়ে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার ক্ষতি সাধন করেন।

এসব ঘটনায় ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ দুদক পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে। মামলাগুলো তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।

মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে।