দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে হামলা, হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন ও লুটের প্রতিবাদ জানিয়ে সারাদেশে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
এ সময় আলেমরা বলেন, অন্য ধর্মের মানুষের ওপর হামলা কখনই ইসলাম সমর্থন করে না। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে এক ডাকও দিয়েছে তারা।
সাম্য-মৈত্রীর সুদৃঢ় বন্ধনই হলো মানুষের পরিচয়। তাই এবার চট্টগ্রামের গণিবেকারী মোড়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম আলীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানববন্ধন ছড়িয়ে যায় বন্দরনগরীর এক কিলোমিটার এলাকায়। ব্যতিক্রমী এ মানববন্ধনে পরে যুক্ত হন নানা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও।
রোববার এই সম্প্রীতি সমাবেশ ও মানববন্ধনে অংশে নিয়ে সবাই জানালেন, অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি জুলুম-অত্যাচার মোটেও ইসলাম সমর্থন করে না।
তারা জানান, যারা মণ্ডপে হামলা করে তারা মুসলমান হতে পারে না। মানুষে মানুষে হানাহানি ইসলাম পছন্দ করে না। যারা এমন কর্মকাণ্ড করে, তারা ভালো মানুষ হতে পারে না।
বক্তারা বলেন, এদেশ হিন্দু-মুসলিমসহ সকল সম্প্রদায়ের। কিন্তু একটি চক্র এ সুসম্পর্ক বিনষ্টের জন্য অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাই এক হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ ছিলো সব কিছুর ঊর্ধ্বে। তাই সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে এক থাকার আহবান ছিলো নোয়াখালীর সমাবেশ থেকে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপে হামলার প্রতিবাদ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রচেষ্টার প্রতিবাদে নরসিংদীতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন।
নেত্রকোনাতেও চিকিৎসকদের কর্মসূচি থেকে যে কোন মূল্যে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ডাক এসেছে। তাদের মতে, সম্প্রীতি না থাকলে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট হয়।
আরও পড়ুন: শহীদ মিনারে সম্প্রীতি সমাবেশ কাল
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়- ঘর বাড়ি হামলা ভাংচুর ও আগুনের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএমএ ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ।
সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, নির্যাতনে জড়িতদের বিচার দাবিতে নড়াইলের আদালত সড়কে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সামাজিকসহ সর্বস্তরের মানুষ।
একাত্তর/আরএ