ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সহিংসতা বাড়ছে

সারাদেশে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা বাড়ছে। মেহেরপুরের গাংনীতে সংঘর্ষে মারা গেছেন দু’জন। পটুয়াখালীর বড়বিঘাই ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থীর এক সমর্থককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। 

পিরোজপুরের শঙ্করপাশায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক ছাত্রলীগ নেতা। গাজীপুরে বিক্ষোভ করেছে নৌকা প্রার্থীর সমর্থকরা। 

সোমবার (৮ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মেহেরপুরের গাংনীর ধলা এলাকায় বর্তমান মেম্বার মইনুল হক টুটুল প্রচারে নামেন। এ সময় রাস্তার ওপর প্রকাশ্যে সাবেক মেম্বার আতিয়ার রহমান ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। 

টুটুলের হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারলে তার হাত কেটে যায়। এসময় তিনি আহত অবস্থায় পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। 

পরে তাদের বাড়ি ঘরে ব্যাপক হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এতে তার বাবা ও চাচা নিহত হন। তারা বাড়ির নারী পুরুষের ওপর নির্বিচারে হামলা চালায়। এসময় কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়।  

পটুয়াখালীর বড়বিঘাই ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থীর এক সমর্থকের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। গেল ৬ সেপ্টেম্বর ডোবা থেকে উদ্ধার হয় মোটরসাইকেল চালক মাসুদের লাশ।

আরও পড়ুন: পর্যটনের শহরে সন্ত্রাস থাকতে পারে না: স্বরাষ্টমন্ত্রী

মাসুদকে নিজের লোক দাবি করে ঘটনার তদন্তে চেয়েছেন নৌকা প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামন মজনু মোল্লা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। 

পিরোজপুরের শঙ্করপাশা ইউনিয়নে নৌকা প্রার্থীর পক্ষে প্রচারের সময় প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল মাহবুব শুভসহ দু’জন। জখম হয়েছেন আরো ১০ জন। 

এদিকে গাজীপুরের চাঁদপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিসের সামনে নৌকা প্রতীকে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। 


একাত্তর/আরএইচ