ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইঞ্জেকশন পুশ করে টাকা না দেয়ায় রোগীর স্বজনকে আটকে রাখা ও দুর্ব্যবহারের ঘটনায় নার্স মোরশেদা বেগমের বিরুদ্ধে একাত্তর টিভি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তাকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৭ জুন) নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অতিরিক্ত সচিব দিল আফরোজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি লঙ্ঘন, গুরুতর অসদাচরণ এবং নার্সিং পেশার মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে উপজেলার বিশারাবাড়ী গ্রামের দুই শিশুকে জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেওয়ার পর পুশিংয়ের টাকা না দেওয়ায় রোগীর স্বজনদের আটকে রাখা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে নার্স মোরশেদা বেগমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
এ বিষয়ে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূইয়া বলেন, “ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।”
বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী সুবিধা পাবেন, তবে কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে রাঙ্গাবালীতে বৃষ্টিতে ভিজে অটোচালকদের মানববন্ধন
বিশ্ব এলপিজি দিবস: নীলফামারীতে বৃক্ষরোপণ করলো মেঘনা ফ্রেশ এলপি গ্যাস