খাগড়াছড়ির বেতছড়িতে প্রথমবারের মতো ল্যানফাই তরমুজ চাষ হয়েছে। সারা বছর চাষ ও ফলন উপযোগী নতুন জাতের এই তরমুজের পরীক্ষামূলক প্রকল্পে, বাম্পার ফলন হয়েছে।
হলুদ তরমুজ বলে পরিচিত এই তরমুজ চাষ, শিক্ষিত বেকার তরুণের কর্মসংস্থানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।
খাগড়াছড়ির পার্বত্য অঞ্চলে প্রথমবারের মতো চাষ হয়েছে চায়না জাতের লেংফাই তরমুজ।চারা রোপণের দুই মাসের মধ্যে ফল আসে। এই তরমুজের ফলন হয় সারা বছর।
এই তরমুজের ওপরে সবুজ ভেতরে হলুদ। পাহাড়ে উৎপাদিত এ তরমুজের আকার বড়, খেতেও সুস্বাদু। ল্যনফাই জাতের তরমুজে তিনটি ধরন আছে। ব্ল্যাক বেবি, মধুমালা ও লালতী।
এরমধ্যে লালতীই হলো হলুদ তরমুজ। সদর উপজেলার বেতছড়ি এলাকায় তরুণ নোভেল চাকমা ২০ শতক জমিতে ৫০ হাজার টাকা খরচে লালতী তরমুজ চাষ করেছেন।
ভালো লাভের মুখও দেখেছেন। বিক্রি করেছেন দেড় লাখ টাকারও বেশি। জমিতেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে উৎপাদিত তরমুজ। আগে থেকেই চাহিদা দিয়ে রাখে পাইকাররা।
আরও পড়ুন: সাত সদস্যের একটি পরিবারের ছয়জনই প্রতিবন্ধী
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুক্তা চাকমা জানান, পাহাড়ে শিক্ষিত বেকার তরুণের কর্মসংস্থানের বড় উৎস হয়ে উঠতে পারে এই তরমুজ চাষ।
হলুদ এই তরমুজ তিন থেকে পাঁচ কেজি ওজনের হয়। বিক্রি হয় ৭০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। আর ল্যনফাই জাতের ফলটি অন্যান্যদের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি ফলন দেয়।
একাত্তর/আরএ