পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগের সাথে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বেলা সাড়ে এগারোটায় পৌর শহরের বনানী মোড়ের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলা যুবদলের সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটনসহ বিএনপির অন্তত ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
আহতরা হলেন জাকির হোসেন (৪৫), তানভীর আহমেদ (৪৫), ফারুক আলম (৩৯), মো. হাসান (৩৫), রিমানুল ইসলাম রিমু (৪৮), জাহিদুর রহমান বাবু (৪৮), জাফর মুন্সি (৪৬), ফারুক মৃধা (৪০), মোকসেদ মৃধা (৩৫), মেহেদী হাসান রাকিব (২৪) ও সৈয়দ শাহাদাৎ (৩০)। এদের মধ্যে পাঁচজনকে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা এগারোটায় খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে জেলা বিএনপির অফিসের সামনে কর্মীরা এসে তাদের ধাওয়া দিলে বিএনপির নেতাকর্মীরাও পাল্টা ধাওয়া দেন।
এর এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু
পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাসান সিকদার অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা শহরে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করছিলেন। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
একাত্তর/এসজে