সরবরাহ কমে যাওয়ায় রংপুরের বাজারে দাম বেড়েছে ইলিশের। একই অবস্থা দেশি মাছেরও। বিক্রেতারা বলছে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় প্রতি কেজি বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২২শ’ থেকে ২৪শ’ টাকায়, মাঝারি ইলিশ ১২ থেকে ১৫শ’ টাকায়। এছাড়া কেজি প্রতি ৮০ থেকে ১০০ বেড়েছে দেশি মাছের দাম।
সিদ্ধ চালের দাম পাইকারি পর্যায়ে কেজি প্রতি ২ থেকে ৩ টাকা কমার কথা বলা হলেও খুচরা বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে আতপ চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। মান-ভেদে প্রতি কেজি আতপ চাল ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়।
এছাড়া মিনিকেট ৬৮, আটাশ ৫৪, চিকন স্বর্ণা ৫০, মোটা স্বর্ণা ৩৮, টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা সাধারণের অভিযোগ আড়তদার ও বড় ব্যবসায়ীরা আতপ চাল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।
তবে কমতে শুরু করেছে সব ধরনের শাক-সবজির দাম। এছাড়া লাউ, করলা, বেগুন, ঢেঁড়স, পটল, সজনে, বরবটি, আলু, ঝিঙে, মূলা আর শসায় ঠাঁসা বাজার।
পুঁই, কচু, কলমি, লাল শাক, সবুজ শাক, পাট শাকেরও আমদানি প্রচুর।
সরবরাহ বেশি থাকায় গত সপ্তাহের চেয়ে কোনো কোনোটির দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানালেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
আরও পড়ুন: বেপরোয়া ছাত্রলীগ, হামলার শিকার ইউপি চেয়ারম্যান
মাংসের দামে তেমন হেরফের হয়নি। মুরগী দামও স্থিতিশীল। এছাড়া জিরায় কেজি প্রতি বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। সব মিলিয়ে বাজার করতে আসা ক্রেতাদের মাঝে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
একাত্তর/আরএ