মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে: আইন মানার প্রবণতা বাড়ানোই চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় ২০২০ সালের মার্চ মাসে। নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা, সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সড়ক যোগাযোগটি চালু হলেও গত বছর সড়কটিতে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৮০ জন। আহত হয়েছেন ৩০০ বেশি মানুষ। কর্তৃপক্ষের দাবি, মানুষ আইন না মানার কারণে ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো।

এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেখানে সেখানে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করার কারেণ নষ্ট হচ্ছে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের স্বকীয়তা। অপরদিকে চালকদের গতিসীমা না মানার কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যাটাও নেহায়েত কম নয়। 

তাদের দাবি, মানুষের আইন না মানার প্রবণতায় সমস্যাগুলোর সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে বুয়েট অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, শুধু দুর্ঘটনা নয়, ইলেকট্রনিক টোল পদ্ধতির ব্যবহার না থাকায় টোল প্লাজার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সেই সঙ্গে যেখানে সেখানে বাস থামানোর মতো প্রবণতা এই সড়কের স্বকীয়তা নষ্ট করছে। সড়কটিতে গাড়ি চলাচলের সর্বোচ্চ গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু তার চেয়ে বেশি গতিতে গাড়ি চালানো হচ্ছে। ফলে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটছে।


পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনা এড়াতে গতিসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনেকেই তা মানছেন না। মানুষের আইন মানার প্রবণতা বাড়ানোই এখন বড়ো চ্যালেঞ্জ। তাছাড়া, গতি ও ওভারটেকিং নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সিস্টেম বাড়াতে হবে এবং যারা নিয়ম ভাঙবেন তাদের শাস্তির আওতায় আনার কথাও বলেন পদ্মা সেতুর এই কর্মকর্তা। 

আরও পড়ুন: সেই রেল ক্রসিংয়ের গেটম্যান আটক, তদন্ত কমিটি গঠন

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্ঘটনা এড়াতে সিসিটিভি, রিয়েল টাইম স্পিড মিটারের মতো নজরদারি ও শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো এক্সপ্রেসওয়ে আর সাধারণ মহাসড়কের মধ্যে পার্থক্য থাকবেনা। 


একাত্তর/এসি