চট্টগ্রাম বন্দরে লাইটারেজ জাহাজ ধর্মঘট

চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যানের প্রত্যাহারসহ পাঁচ দফা দাবিতে লাইটারেজ জাহাজে পণ্য পরিবহনের কার্যক্রম বন্ধ করে ধর্মঘট করছেন শ্রমিকরা। 

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) ভোর ছয়টা থেকে কর্ণফুলীর ১৮টি ঘাটে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে।

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো, লাইটার জাহাজের শ্রমিকদের ওঠানামায় ব্যবহৃত চরপাড়া ঘাটের ইজারা বাতিল, পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অপসারণ, সাঙ্গু নদীর মুখ খনন করে লাইটার জাহাজের নিরাপদ পোতাশ্রয় করা। 

শ্রমিকদের দাবি, চরপাড়া ঘাট ইজারা দেয়ার পর থেকে ইজারাদারের লোকজনের শ্রমিকদের বিভিন্নভাবে হেনস্থা করে আসছে। গত ৩ নভেম্বর ইজারাদারের লোকজন ৮ থেকে ৯ জন শ্রমিককে মারধর করে। কিন্তু ওই ঘটনায় পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। 

এছাড়া, বন্দরের কাছে এই ঘাটের ইজারা বাতিলের দাবি জানালেও, কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এর প্রতিবাদে চরপাড়া ঘাটের সামনে থেকে সব লাইটার জাহাজ পারকির চর এলাকায় নিয়ে যায় নৌযান শ্রমিকরা। এরপর পারকির চর এলাকায় অবস্থানরত নৌযান থেকে শ্রমিকরা বিমানবন্দর সড়কের শেষ মাথায় চাইনিজ ঘাট ব্যবহার করে ওঠানামা করতে শুরু করে। 

এ ঘাটটিও গতকাল উচ্ছেদ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বিকেলে বাংলাবাজার এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করে আজ সকাল থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানো ও পরিবহন বন্ধের ডাক দেয়। 

আরও পড়ুন: র‍্যাবের সাথে গুলিবিনিময়ে ২৩ মামলার আসামী নিহত

এদিকে, নদীপথে সিমেন্ট, সিরামিক ও ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল, সার, কয়লা ও ভোগ্যপণ্য মিলিয়ে প্রতিবছর ছয় কোটি টনের বেশি পণ্য পরিবহন হয়। লাইটার জাহাজে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলে চট্টগ্রাম থেকে সারা দেশে নদীপথে পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যাবে। এতে করে বিপাকে পড়বেন ব্যবসায়ীরা।


একাত্তর/জো