চলমান বিআরটি প্রকল্পের কাজ, অপ্রশস্ত ও ভাঙাচোরা সড়ক, গাড়ির চাপ সব মিলিয়ে এবারও ঈদযাত্রায় গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভোগান্তির শঙ্কা রয়েছে।
তবে পুলিশ বলছে, টঙ্গী কলেজগেট থেকে শুরু একটি ফ্লাইওভার খুলে দেয়ার চেষ্টা চলছে। এছাড়াও সব দিক বিবেচনায় নিয়ে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে তাদের নানা প্রস্তুতি রয়েছে।
প্রায় এক যুগ ধরে চলছে গাজীপুরের শিববাড়ি থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত বাস র্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের কাজ।
এতে সরু হয়ে গেছে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ, কোথাও কোথাও ভেঙে গেছে সড়ক। স্বাভাবিক সময়েই দুর্ভোগ পোহাতে হয় এই পথে চলাচলকারীদের।
১০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে ৩০ মিনিট। ঈদের সময় চরমে উঠে সেই দুর্ভোগ। এই সামান্য পথ পাড়ি দিতেই চলে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
যাত্রী ও চালকরা বলছেন, ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ কমাতে হলে জরুরিভাবে সড়ক সংস্কার করতে হবে। জোরদার করতে হবে ট্রাফিক ব্যবস্থা।
অবশ্য ঈদযাত্রার দুর্ভোগ কমানোর উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ। বলছে, ঈদের সময়ের বাড়তি চাপের কথা বিবেচনা করে এরিমধ্যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
টঙ্গী কলেজ গেট থেকে আজমপুর পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ দুই লেন ফ্লাইওভার খুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে সড়ক থেকে বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
এছাড়াও টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে কয়েক ঘণ্টা। রাস্তার মাঝখানে বাস থামিয়ে যাত্রী উঠানামা আর যত্রতত্র পার্কিং বন্ধ চেয়েছে যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: গরমে অতিষ্ঠ জলের কুমির ডাঙায়
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে এখনো চলমান বিআরটি প্রকল্পের কাজ।
কোথাও চলছে বিআরটি স্টেশন নির্মাণ কোথাও উড়াল সড়কের নির্মাণকাজ। কোথাও রাস্তা প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নকাজ। তাই এবারও ভোগান্তির কারণ হবে বিআরটি।
একাত্তর/এসি