সবচেয়ে বড় ঈদ জামায়াতে প্রস্তুত শোলাকিয়া ঈদগাহ

দেশের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের জামায়াতের জন্যে প্রস্তুত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। উৎসব মুখর পরিবেশে ঈদ জামায়াত আয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরপত্তা ব্যবস্থা। এবার হতে যাচ্ছে ১৯৬তম ঈদুল ফিতরের জামায়াত। ঈদ জামায়াতে ইমামতি করবেন বাংলাদেশ ইসলাহুল মুসলেমিন পরিষদের চেয়ারম্যান আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ। 

ঈদগাহ ময়দান পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, সকাল ১০টায় ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে। নামাজে শুধু জায়নামাজ ও টুপি নিয়ে নিয়ে মাঠে আসতে হবে। মুসল্লিদের চলাচলের সুবিধার্থে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে দুটি স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে। 

শুক্রবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে বিজিবিসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নিরাপত্তা মহড়া চালিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। 


কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বদিকে নরসুন্দা নদীর তীরে গড়ে উঠা প্রায় সাত একর জায়গা জুড়ে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। ২০১৬ সালের জঙ্গি হামলার প্রেক্ষাপটে এ বছরও নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বসানো হয়েছে ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার। সেখান থেকে র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করবেন। পুরো ময়দান ও আশপাশ এলাকা সিসিটিভির আওতায় রাখা হয়েছে। পাঁচ প্লাটুন বিজিবিসহ বিপুল পরিমাণ র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটেরিয়ানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবেন। বোম্ব ডিসপোজাল টিম ও পুলিশের কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা থাকবে। চারটি ড্রোন ও প্রশাসনের নিজস্ব ক্যামেরা থাকবে। 


নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি মুসুল্লিকে চার থেকে ছয়টি পুলিশ চেকপোস্টে তল্লাশির মাধ্যমে ময়দানে প্রবেশ করানো হবে। জায়নামাজ ও টুপি ছাড়া ব্যাগ, মোবাইল ফোন ও ছাতা নিয়ে মাঠে প্রবেশ করা যাবে না। ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন: ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে ঈদের জামাত কখন কোথায়

অ্যাম্বুলেন্সসহ বেশ কয়েকটি মেডিক্যাল টিম ও ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরাও মুসল্লিদের সেবা দিতে মাঠে থাকবেন।

মুসুল্লিদের চলাচলের সুবিধার্থে ঈদের দিন সকালে ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে একাধিক ট্রেন চলাচল করবে।


একাত্তর/এসি