তিন দফা সময় পরিবর্তন করে অবশেষে চালু হলো ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। বৃহস্পতিবার এর উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তবে দেরিতে ট্রেন চালু হওয়া এবং অল্প সময় ট্রেনটি চালু রাখার সিদ্ধান্তে হতাশ আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
কয়েক দফা সময় বদলের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশনে উদ্বোধন করা হয় ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের।
সাতটি ওয়াগণ নিয়ে রহনপুর থেকে বিকেল ৪টায় ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এরপর ১৪টি স্টেশন থেকে আম নেয় ট্রেনটি। আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি আম পরিবহন বাবদ খরচ করেছেন এক টাকা ৩২ পয়সা। তবে এভাবে আম ঢাকায় নিতে পারায় খুশি হলেও মৌসুমের মাঝখানে ট্রেন চালু হওয়ায় হতাশ তারা।
কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, কুরিয়ার খরচ হয় ১৫ থেকে ১৬ টাকা, আর ট্রেনের খরচ এক থেকে দেড় টাকা।
আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের সাথে একাত্মতা জানিয়েছেন কৃষক নেতারা। তাদের দাবি সারা বছর অন্তত একটি বগি কৃষি পণ্য পরিবহন করা হোক।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুনজের আলম মানিক বলেন, এবছরও সঠিক সময়ে ট্রেন চালু হয়নি।
রেল কর্মকর্তা জানান, লোকসানের কারণে শুধু ল্যাংড়া আম পরিবহনের জন্যই ১৪ দিন এই ট্রেনটি চালু রাখা হবে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার জানান, আমরা আমাদের সময়ে ঠিক আছি। আমরা এটি বেশিদিন রাখতে পারবোনা, কারণ ক’দিন পর থেকে ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালু করতে হবে।
রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী না চাইলেও প্রধানমন্ত্রী এই এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন চালু করেছে।
আরও পড়ুন: দীর্ঘ ভোগান্তির পর মুক্তি মিলছে মধ্যবাড্ডার মানুষের
প্রথম দিন ট্রেনে জেলার ৫টি স্টেশন থেকে ১৩ হাজার ৮১৫ কেজি আম পরিবহন করা হয়।
একাত্তর/আরএ