ভারতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে শুল্কারোপের পর বেনাপোলে আমদানি বন্ধ

পেঁয়াজ রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে রপ্তানির ওপর ৪০ শতাংশ  শুল্ক আরোপ করেছে ভারত সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এরপর শনিবার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই ট্রাক পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করলেও রোববার কোন পেঁয়াজ আমদানি হয়নি। নতুন দরে পেঁয়াজ আমদানি নিয়ে সংশয়ে রয়েছে আমদানিকারকরা।

ভারতের বাইরে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে হলে সেদেশের সরকারকে ৪০ শতাংশ শুল্ককর দিতে হবে। বাংলাদেশে চাহিদা থাকায় প্রতিদিন কমবেশি পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল। বর্তমানে শুল্ককর বৃদ্ধিতে রোববার সকাল থেকে কোন পেঁয়াজবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেনি।

এদিকে, শনিবার ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত জানায়, যা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে বাড়তি এ শুল্ক আরোপের পথে হাঁটল প্রতিবেশী দেশটি। 

ফলে বাড়তি দামে পেয়াজ আমদানিতে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশের আমদানিকারকরা। পেঁয়াজ আমদানি না হলে দেশের বাজার আরও অস্থির হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর এই শুল্ক বহাল থাকবে। সম্প্রতি ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। যদিও এর আগে সরবরাহ বাড়াতে সরকার নিজস্ব মজুত থেকে তিন লাখ টন পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল। 

ভারতের শুল্কারোপের ঘোষণার পর কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছিলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেও দেশে পেঁয়াজের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না।

আরও পড়ুন: ত্রিশালে ট্রেনের তিন বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ 

তবে এরপর থেকেই পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা এই বাড়তি দামের পেছনে বৈরী আবহাওয়ায় পেঁয়াজের মান খারাপ হওয়া এবং মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করছেন।


একাত্তর/জো