ইলিশের মৌসুম শেষদিকে। এই সময়েও জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা না পড়ায় বিপদে মৎস্যজীবীরা। চাঁদপুর বড় স্টেশন ইলিশ অবতরণ কেন্দ্রে ভরা মৌসুমেও এক কেজি ইলিশের জন্য ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে ১৫০০ টাকার বেশি। অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কলাপাড়ায়ও ইলিশের সরবরাহ কমেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন জেলেরা।
বৈরী আবহাওয়ার কারণে ইলিশশূন্য ট্রলারগুলো নোঙর করা ঘাটে। পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর মাছের মোকামে নেই ইলিশের সরবরাহ।
জেলেরা জানান, আগে মৌসুমের শেষদিকে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়তো। কিন্তু এখনকার চিত্র ভিন্ন।
এদিকে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের জন্য, ১২ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে এবার নতুন শঙ্কায় জেলেরা। তারা বলছেন, এখন মাছ ধরতে না পারলে নিঃস্ব হয়ে যাবেন তারা।
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতেও জেলেদের জালে মিলছে না ইলিশ। ফলে এখানেও পাইকারি আড়তে এক কেজি ওজনের ইলিশ এক হাজার ৬০০ টাকা, ৮০০ গ্রামের ইলিশ এক হাজার ২০০ এবং ৬০০ গ্রাম ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাটকা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজিতে।
জেলেদের দাবি, জ্বালানি তেল, বরফ, নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। সেই সঙ্গে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরিও। এগুলোর প্রভাবও পড়েছে ইলিশের দামের ওপর।
চাঁদপুর বড় স্টেশন ইলিশ অবতরণ কেন্দ্রে নোয়াখালী, হাতিয়া, ভোলা, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলেরও ইলিশ আসে।