আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোয় জড়িত আরাফাত তিনদিনের রিমান্ডে

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলকারীদের হত্যা ও মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় সম্পৃক্ত ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা আরাফাত হোসেনকে তিনদিনের নেওয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত। 

শুক্রবার রাতে আশুলিয়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের মিয়া রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে আত্মগোপনে থাকা আরাফাতকে রাজধানীর আবাসিক এলাকা আফতাবনগর থেকে র‌্যাব-৩ ও র‌্যাব-৪ যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করে।

এসআই আবু তাহের মিয়া গণমাধ্যমে বলেন, ৩২৬ ধারায় গত ১১ সেপ্টেম্বর আরাফাতের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন রবিউল সানি নামের এক ব্যক্তি। সেই হত্যাচেষ্টা মামলায় আরাফাতকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগমের আদালতে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের এক ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়- গুলিবিদ্ধ লাশ গুনে গুনে ভ্যানে তুলছেন পুলিশ সদস্যরা। পরে একটি পরিত্যক্ত ব্যানার দিয়ে সেগুলো ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। 

ভিডিওতে পুলিশের ভেস্ট আর হেলমেট পরা যাদের দেখা গেছে, তাদের একজন ঢাকা উত্তরের গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। 

এদিকে আশুলিয়ায় ঘটনার মূল কারিগর সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আব্দুল্লাহিল কাফিকে বৃহস্পতিবার ফের পাঁচদিনের রিমান্ডের নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত ২ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দর থেকে কাফিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।