করোনার পর ভাঙনের গ্রাসে কুড়িগ্রামের বেশিরভাগ স্কুল। চার মাসেই ভাঙনে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে সাত স্কুল। আর, নিশ্চিহ্নের ঝুঁকিতে আরো ২২টি স্কুল।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন ভেঙে পড়া স্কুলগুলোর জন্যে এরইমধ্যে জমি দেখতে বলা হয়েছে। তবে স্কুল তৈরির কোন জায়গাও আশেপাশে খুঁজে পাচ্ছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ।
করোনা মহামারীর প্রাথমিক ধকল কাটিয়ে উঠে, প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর দেশব্যাপি খুলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
কিন্তু ভাঙনের কারণে কুড়িগ্রামের নয় উপজেলার প্রায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দশহাজার শিক্ষার্থী এখনো প্রিয় প্রতিষ্ঠানের গন্ডিতে পা রাখতে পারেনি।
এরই মধ্যে ভাঙ্গনের তীব্রতায় তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার এবং গঙ্গাধর নদীর পেটে গেছে চার উপজেলার সাতটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
ভাঙনের কবলে পড়া স্কুলগুলোর মালামাল পড়ে আছে খোলা আকাশের নিচে। স্কুল নির্মাণের মতো জমিও মিলছে না। ঝুঁকিতে আছে আরও সাত উপজেলার ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
আরও পড়ুন: কৃষি কাজে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আধুনিক প্রযুক্তি
সব মিলিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক আর শিক্ষার্থীরা বেশ দুশ্চিন্তায় আছে। কবে আবারও শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারবে শিক্ষার্থীরা, সেটি এখন অনিশ্চিত।
জেলা শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম বলছেন, ভাঙনে হারিয়ে যাওয়া স্কুল গুলো পুণর্নিমানের জন্য জায়গা ঠিক করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ভাঙনের মুখে পড়া স্কুলগুলো রক্ষার জন্য জেলা প্রশাসক ও পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জেলার নয়টি উপজেলায় ১২৪০টি প্রাথমিক, ৩৭৪ মাধ্যমিক স্কুল এবং ৬১ উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ রয়েছে।
একাত্তর/টিএ