কুমিল্লার ১১ আসনের মধ্যে রোববার পাঁচ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। এই পাঁচ আসনে মোট ৬৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছে ২৮ জনের। বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে মোট ২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান। স্থগিত রাখা হয়েছে ৯ জনের মনোনয়নপত্র।
বাতিলের তালিকায় এসব আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন। এই পাঁচ আসনে ১০ জন আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-তিতাস) আসনের আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র নাইম হাসানসহ ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বৈধ হয়েছে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সেলিমা আহমদ মেরিসহ ৬ জনের মনোনয়নপত্র।
কুমিল্লা-০২ (মেঘনা-হোমনা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মজিদ, শাহ আলম খন্দকার ও জাতীয় পার্টির এটিএম মঞ্জুরুল ইসলামসহ ছয় জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। স্বতন্ত্র শফিকুল আলম ও আরও একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ পাঁচ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সরকার, রফিকুল ইসলাম ও রুহুল আমিনসহ ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, স্থগিত করা হয়েছে তিনজনের মনোনয়নপত্র। বৈধতা পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনসহ তিনজন।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস খন্দকারের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র আবুল কালাম আজাদসহ ৫ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাজী মোহাম্মদ ফখরুলসহ ৮ জন বৈধতা পেয়েছেন।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী পদত্যাগী উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহের, সাজ্জাদ হোসেন, জাহাঙ্গীর খান চৌধুরীসহ ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আবুল হাশেমসহ ৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়েছে।