লক্ষ্মীপুরে অবৈধ পার্কিং, ফুটপাত দখলমুক্ত ও পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নেমেছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
সকালে লক্ষ্মীপুরের উত্তর তেহমুনী, বাগবাড়ি, ঝুমুরসহ লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বেশকিছু রাস্তার দু’পাশে উচ্ছেদ অভিযান চালাতে দেখা যায়।
পরে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারগুলোতে তাদের তদারকি করতে দেখা যায়।
ট্র্যাফিক আইন অমান্য করায় লক্ষ্মীপুর পৌরশহরের ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি ও জনগণের চলাচলের রাস্তায় দোকানের পণ্য রাখায় প্রথম দিনের মতো সতর্ক করেন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা ঠেকাতে বাজার মনিটরিংয়ে গিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও দ্রব্যমূল্যের তালিকা পর্যবেক্ষণ করেন।
লক্ষ্মীপুর কৃষি বিপণন কর্মকর্তার মনির হোসেনকে সাথে নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌর বাজারের কাঁচা বাজার, মাছ বাজার মাংসের বাজারে মূল্য তালিকা দেখা হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বাজারের সব বিক্রেতাকে কোনো ধরনের চাঁদা না দেয়ার জন্য উৎসাহ দেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ তথা গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে লক্ষ্মীপুরবাসীর জীবন যাবন। সড়কে ট্র্যাফিক পুলিশ না থাকায় লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা লাঠি ও বাঁশি নিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
পুলিশ আসলে পুলিশকে সহযোগিতাসহ এ কাজ অব্যাহত রাখবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের প্রধান সম্মনয়ক পারভেজ মোশারফ বলেন, লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সড়কের দুপাশে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন অবৈধভাবে পার্কিং করার পাশাপাশি দোকানের মালামাল ফুটপাতের উপরে রাখার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়। অবৈধ পার্কিং যানজট নিরসন ফুটপাত দখলমুক্ত ও পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে অভিযানে নেমেছেন তারা।
লক্ষ্মীপুর মহিলা কলেজ এর শিক্ষার্থী শ্রাবন্তী বলেন,লক্ষ্মীপুর পৌর শহর প্রশস্ত হয়েছে যাতে করে সাধারণ মানুষ ও গাড়িসহ যানবাহন নিরাপদে যানজটমুক্ত চলাচলের জন্য। অথচ লোকজন ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে পারে না। ফলে মেইন রাস্তায় নেমে চলাচল করতে হয়, যার কারণে যানজটের সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি ঘটছে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এজন্য জনগণকেই সচেতন করতে তারা অন্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাঠে কাজ করছেন।