কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত রূপগঞ্জের শিক্ষার্থী ফারহান ভূইয়া ফাইয়াজের বাড়িতে চলছে শোক। বিজ্ঞানী হবার স্বপ্ন পূরণ হলো না বাবা মায়ের আদরের সন্তানের। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে চলা সংঘর্ষে গুলিতে শেষ হয়েছে তার প্রাণ। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ পুরো পরিবার। ছেলের হত্যাকারীদের বিচার চেয়েছেন তারা।
ছেলেকে হারিয়ে শোকে কাতর পুরো পরিবার। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বরপা এলাকার শিক্ষার্থী ফারহান ভূইয়া ফাইয়াজের পুরো পরিবার এখনো বাকযুদ্ধ।
মেধাবী শিক্ষার্থী ফারহান ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান শাখায় পড়তো। গত ১৮ জুলাই বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরে কোটা আন্দোলনে যুক্ত হয় সে। এসময় হঠাৎই বুকে গুলিবিদ্ধ হলে সহপাঠীরা তাকে হাসপাতালে নেয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। হাসপাতাল থেকেই ছেলের মৃত্যু সংবাদ পান বাবা দ্বিপন ভূইয়া।
রাতেই রূপগঞ্জের বরপা এলাকায় জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এখন প্রতিদিনই ছেলের কবরের পাশে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন বাবা। জানান, উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চেয়েছিলো ফারহান। বিজ্ঞানী হবার স্বপ্ন ছিলো তার।
তিনি বলেন, ছেলে হারিয়ে আমার কথা বলার কোনো অবস্থা নেই। আমি কাঁদলে আমার স্ত্রী আর মেয়ে আরো ভেঙে পড়ে, আমি কাঁদতেও পারিনা।
ছেলেকে হারানোর কঠিন সত্য মানতে পারছেন না ফারহানের মা ফারহানা রহমান দ্বিবা। ছোট বোন ফারিনও ভাইয়ের স্মৃতি মনে করে কেঁদে উঠছেন।
মেধাবী শিক্ষার্থী ফারহানের এমন করুণ মৃত্যুর ঘটনার বিচার চেয়েছেন তার স্বজনরা।