এবারের নির্বাচনে অনেক প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। বিএনপির সাবেক নেতা ও তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকারের জামানত হারানোর খবর এখন আলোচনার তুঙ্গে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই জানা গেলো, স্বামীর সঙ্গে ভোটের লড়াইয়ে হেরে স্ত্রীর জামানত খবর।
এমন ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধা-২ আসনে। সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোট করে জামানত হারিয়েছেন মাসুমা আখতার। এই নির্বাচনে স্বামী শাহ সরোয়ার কবীর ট্রাক প্রতীকে জয়লাভ করলেও তার স্ত্রী মাসুমা আখতার ঈগল প্রতীকে মাত্র ১৬৯টি ভোট পেয়ে জামানত হারান।
মঙ্গলবার গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে পাঁচ প্রার্থী অংশ নেন। এতে বেসরকারি ফলে শাহ সরোয়ার কবীর ট্রাক প্রতীকে ৬৪ হাজার ১৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রশীদ সরকার লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩৭ ভোট। অন্যদিকে, ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুমা আখতা ১৬৯ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধার ডিসি ও রিটার্নিং অফিসার কাজী নাহিদ রসুল বলেন, ইসির বিধিমালা অনুযায়ী ভোট কাস্টিংয়ের আট ভাগের একভাগে ভোট কম পাওয়ায় গাইবান্ধা-২ আসনের প্রার্থী গোলাম মারুফ মনা, জিয়া জামান খান ও নবনির্বাচিত এমপি শাহ সরোয়ার কবীরের স্ত্রী মাসুমা আখতারের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।
নির্বাচনে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে পাঁচ প্রার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে জাপার লাঙ্গল প্রতীকে আব্দুর রশীদ সরকার, জাসদের মশাল প্রতীকে গোলাম মারুফ মনা, এনপিপি’র আম প্রতীকে জিয়া জামান খান, ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ সরোয়ার কবীর ও তার স্ত্রী মাসুমা আখতার ঈগল প্রতীকে লড়ছিলেন।