বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হয়ে জামানত খোয়াচ্ছেন তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে সোনালী আঁত প্রতীকে তৃতীয় হয়েছেন তিনি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিছুদিন আগে তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক এই নেতা।
বিএনপি বয়কট করলেও ভোটে আসেন তৃণমূল বিএনপি। এক সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা সাবেক রাষ্ট্রদূত শমসের মবিন চৌধুরীর নেতৃত্বে তৃণমূল বিএনপি ২৩০ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেন।
তৈমুর আলম প্রতিন্দ্বন্দ্বিতায় নামেন নৌকার প্রার্থী বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর বিরুদ্ধে। রূপগঞ্জে ভোটের মাঠে শুরুতে আলোচনায় আসতে পারলেও শেষে ব্যাপক ভরাডুবি ঘটে।
ভোটের ফল গণনার পর নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে দ্বিতীয় অবস্থানেও আসতে পারেননি তৈমুর। এমনকি জামানত বাঁচাতে হলে, কোনো আসনের প্রদত্ত ভোটের যে সাড়ে ১২ শতাংশ প্রয়োজন হয়, তাও পাননি জেলা বিএনপির সাবেক এই সভাপতি।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ১২ হাজার ৬২৪টি। তৈমুর আলম খন্দকার পেয়েছেন মাত্র তিন হাজার ১৯০টি ভোট। জামানত বাঁচাতে তার ভোট প্রয়োজন ছিলো ২৬ হাজার ৫৭৪ ভোট।
এদিকে এই আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৩। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহজাহান ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৫ ভোট।
দল ছাড়ার আগে দীর্ঘদিন বিএনপির সঙ্গে রাজনীতি করেছেন তৈমুর আলম খন্দকার। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বিআরটিসির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।
এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন তৈমুর।
বয়কট মানেই অগ্রহণযোগ্য এমন নয়: বিদেশি পর্যবেক্ষক দল