ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫ থেকে ৯৬ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছে। তবে সশরীরে ক্লাস শুরুর পর কোথাও কোথাও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে বলে স্বীকার করলেন উপাচার্য।
শুক্রবার বাণিজ্য অনুষদ গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা জানান। তবে, এবার ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা ভালো বলেও দাবি তার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো সাপ্তাহিক ছুটির প্রথম দিনে।
সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। পরীক্ষায় এক হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেন ২৭ হাজার ৩৭৪ জন। প্রতি আসনে লড়ছে ২১.৯০ জন।
সবমিলিয়ে দেশের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ভর্তি পরীক্ষার আসন ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া রাজধানীর বাইরে সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একই সময়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা শুরুর পর উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নিয়ে সন্তোষ জানান।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে উপাচার্য বলেন, বিগত সময়ের ধারাবাহিকতায় খুব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আরও পড়ুন: গৃহবধূ থেকে গার্মেন্টস মালিক, ঘুরে দাঁড়ানোর অদম্য এক গল্প
তার কাছে প্রশ্ন ছিলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা আর সশরীরে ক্লাসের বিষয়ে। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ঝুঁকি বাড়বে বলে জানান উপাচার্য।
তিনি বলেন, সাত-আট দিন আগের হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনা প্রতিরোধী টিকার আওতায় এসেছে। এখন এ হার ৯৫ থেকে ৯৬ ভাগ হবে।
তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানা সবার জন্য খুবই জরুরি। কয়েকটি জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে আরও সর্তক ও তৎপর হতে হবে।
আগামীতে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র অন্য বিভাগীয় শহরে থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, শুধুমাত্র করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা ঢাকার বাইরে পরীক্ষা নেইনি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব করা।
এদিকে, দেড় ঘন্টার পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা জানালো মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বললেন, প্রশ্নপত্র ভালো হয়েছে। আবার কেউ অভিযোগ করলেন, প্রশ্নপত্র কঠিন করা হয়েছে বলে।
একাত্তর/টিএ