দীর্ঘ অপেক্ষার শেষে উৎসবের আমেজ ছিলো রাজধানীর ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোতেও। উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরুর আগেই, হাজির হয়েছে স্কুলে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে শতভাগ প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। যদিও অভিভাবকদের শঙ্কা, হয়তো স্কুল থেকে করোনা আক্রান্ত হতে পারে প্রিয় সন্তানটি।
কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা, স্কুলে ফিরতে পেরে কবিগুরুর এই গানের মতোই হারিয়ে যেতে চেয়েছে শিক্ষার্থীরা। যারা দীর্ঘ ৫৪৩ দিন ঘরে বন্দি।
আবার, কোথাও আলোকের এই ঝর্ণাধার ধুইয়ে দাও। রাজধানীর ধানমন্ডির নালন্দা বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু সকাল ৯টায়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা হাজির সকাল সাড়ে সাতটার পর থেকেই।
শুধু নালন্দা বিদ্যালয়ই নয়, রাজধানীর ইংরেজি মাধ্যমসহ সব বিদ্যালয়েরই একই চিত্র। ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ক্লাস শুরু সকাল আটটায়। কিন্তু সাতটা থেকেই হাজির শিক্ষার্থীরা।
সরকারি নির্দেশনা মতো, স্কুলের প্রধান ঘটকেই শিক্ষার্থীদের মাপা হচ্ছে তাপমাত্রা। দেয়া হচ্ছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।
জীবানুণাশক ট্যানেলও বসেছে স্কুলে। শিক্ষার্থীদেরও বসানো হচ্ছে নিরাপদ দূরত্বে। কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় সব ব্যবস্থা নিয়েছে তারা।
তবে, দীর্ঘদিন পর স্কুল খেলায় অভিভাবকরাও খুশি। তবে কিছুটা আতঙ্কে আছেন তারা। কারণ এখনও যে টিকার আওতায় আসেনি স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: জেলায় জেলায় উচ্ছ্বাস, খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে ৯৩ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা-কর্মচারি এখন টিকার আওতায়। তারপরেও পরিস্থিতি তৈরি হলে আবারও স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত আসবে যে কোন সময়।
একাত্তর/আরএ