ভারতের সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে শোকাহত ভারতসহ গোটা উপমহাদেশ। সুরের সরস্বতীর মৃত্যুতে তাই ভারতজুড়ে দু’দিনের জাতীয় শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।
রোববার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মধ্য মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে লতা মঙ্গেশকর এই পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে সুরের আকাশে ধ্রুবতারা হয়ে যান।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেল আট জানুয়ারি থেকে হাসপাতালে ছিলেন। কিছুদিন আগে করোনা থেকে মুক্ত হয়ে আইসিইউ থেকে কেবিনেও ফিরেছিলেন তিনি।
শনিবার লতার শারীরিক অবস্থার আবার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। বিকেলের দিকে চিকিৎসকেরা জানান, গায়িকার অবস্থা সংকটজনক।
চিকিৎসকরাও প্রাণপণে চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু কোন চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না সূরের সরস্বতী। শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে যান কিংবদন্তিতুল্য এই শিল্পী।
আরও পড়ুন: চলে গেলেন সুরের সরস্বতী
সুরের ঈশ্বরী হিসাবে পূজিত শিল্পী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে এরিমধ্যে ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ শোকের বার্তা দিয়েছেন দেশটির রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে আমজনতা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘আমি ব্যথিত। এ যন্ত্রণা ভাষায় ব্যক্ত করতে পারব না। লতা দিদি আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তাঁর চলে যাওয়ায় যে শূন্যস্থান তৈরি হল, তা পূরণ করা যাবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাঁকে ভারতীয় সংস্কৃতির একজন অনন্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে মনে রাখবে, সুরেলা কণ্ঠ দিয়ে মানুষকে মন্ত্রমুগ্ধ করার এক অতুলনীয় ক্ষমতা ছিল তাঁর’।
সুরসম্রাজ্ঞীর প্রয়াণে শোকাহত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে আমি গভীরতম শোক প্রকাশ করছি। তাঁর প্রয়াণে আমরা রিক্ত হলাম। তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীত জগতের অপূরণীয় ক্ষতি হল। আমি লতা মঙ্গেশকরের আত্মীয়-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি’।
একাত্তর/এসজে