জায়েদ-নিপুণের পদ নিয়ে রুল শুনানি আজ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে বিতর্কিত সাধারণ সম্পাদক পদের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে আজ।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচনে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিলের হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ স্থগিত করে পরবর্তী শুনানির জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করে আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট।

সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য লড়াই করা দুই প্রার্থীরই পদ আপাতত স্থগিত রেখেছেন সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার আদালত। ফলে পদটি বর্তমানে খালি রয়েছে। আর তাই সবশেষ ফলাফল কী হবে তা জানার জন্য সবার দৃষ্টি বর্তমানে সুপ্রিমকোর্টের দিকে।

গত ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হন জায়দে খান। কিন্তু নির্বাচনে পক্ষপাতীত্ব, কারচুপি এবং অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচনি আপিল বোর্ডে জায়েদ খান ও কার্যকরী পরিষদের সদস্য চুন্নুর পদ বাতিলের আবেদন করে নিপুণ।

পরে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে করণীয় জানতে আবেদন করেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান। গত ২ ফেব্রুয়ারি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক চিঠিতে আপিল বোর্ডকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। 

৫ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার দায়ে বিজয়ী প্রার্থী জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করেন। একই সঙ্গে নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা দেন।

তবে এই সিদ্ধান্ত মেনে নেননি জায়েদ খান। বরং উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। ৭ ফেব্রুয়ারি আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট।

এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন নিপুণ। ৯ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থিতাবস্থা জারি করেন চেম্বার আদালত। 

আদালতে নিপুণের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান। অন্যদিকে জায়েদ খানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, আহসানুল করিম, নাহিদ সুলতানা ও মজিবুল হক ভূঁইয়া।


একাত্তর/টিএ