বয়স বাড়ছে, কিন্তু শরীরের গড়ন নিয়ে চিন্তিত নন প্রিয়াঙ্কা

বয়সের জন্য শরীরের গড়ন পাল্টে যাচ্ছে, এমন সমালোচনা বেশ কিছুদিন ধরেই কানে আসছিল প্রিয়াঙ্কার। ৩৮ বছর বয়সি এই অভিনেত্রীর ঝুলিতে হলিউড প্রজেক্টেরও খামতি নেই।

শরীরের গড়ন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী প্রিয়ঙ্কা চোপড়া এ বার নিজের ‘বডি ইমেজ’ নিয়ে মুখ খুললেন। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়ঙ্কা বলেছেন, ‘আমি মিথ্যে কথা বলব না যে, আমার ওপরে এর কোনো প্রভাব পড়ে না। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার শরীরের গড়নও পাল্টে গিয়েছে। ঠিক যেমন বাকিদেরও হয়। তার পরে ধীরে ধীরে মেনে নিয়েছি যে, এটাই আমার এখনকার গড়ন। কারণ আমার এখনকার শরীরেরই যত্ন নিতে হবে, ১০-২০ বছর আগের নয়।’


প্রিয়ঙ্কার মতে, নিজের শরীরের গড়ন কেমন, তা না ভেবে আমরা কী ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছি, সেটা ভাবা জরুরি। যেমন আমি সব সময়ে ভাবি যে, আমি সমাজের জন্য কী করছি? আমার উদ্দেশ্য কী? প্রত্যেক দিন আমি কি নিজের কাজটা ঠিক করে করছি? যখন নিজের চেহারা নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট থাকি না, তখন এমন কোনো কাজে মন দিই, যা আমাকে আনন্দ দেয়।

তবে সাবেক এই বিশ্বসুন্দরীর দাবি, শরীরের গড়ন তার আত্মবিশ্বাসকে কখনও দমাতে পারেনি।


চটজলদি প্রিয়াঙ্কা চোপড়া:

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ১৯৮২ সালের ১৮ জুলাই ভারতের বিহারের (বর্তমানে ঝাড়খণ্ড) জামশেদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা অশোক চোপড়া এবং মা মধু চোপড়া দুজনেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিকিৎসক। তার বাবা পাঞ্জাবি এবং আম্বালার অধিবাসী ছিলেন। মা ঝাড়খণ্ডের অধিবাসী।

২০০০ সালে তিনি মিস ওয়ার্ল্ড উপাধি লাভ করেন। ২০০২ সালে তামিল ঠামিজান চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিষেক হয়। হিন্দি চলচ্চিত্রে তিনি সানি দেওলের বিপরীতে দ্য হিরো ছবির মাধ্যমে প্রবেশ করেন। ২০০৪ সালে আন্দাজ ছবির জন্য তিনি সেরা নবাগতা অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৮ সালে তিনি ফ্যাশন ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৬ সালে তিনি ভারত সরকার প্রদত্ত চতুর্থ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী অর্জন করেন এবং টাইম ম্যাগাজিন প্রকাশিত তালিকায় শীর্ষ ১০০ প্রভাবশালী নারী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

একাধারে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, সাবেক মিস ওয়ার্ল্ড , মানবহিতৈষী, লেখিকা এবং কণ্ঠশিল্পী।

একাত্তর/এসি