চলে গেলেন শতবর্ষী অভিনেত্রী গ্লাইনিস জনস

জনপ্রিয় চলচ্চিত্র মেরি পপিন্সের অভিনেত্রী গ্লাইনিস জনস। উইনিফ্রেড ব্যাঙ্কসের ভূমিকায় অভিনয় করে দর্শকদের মন কেড়ে নেন তিনি। অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন শতবর্ষী অভিনেত্রী গ্লাইনিস জনস।

১০০ বছর বয়সে বৃহস্পতিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গ্লাইনিস জনস অভিনয় ক্যারিয়ার ৬০ বছরের বেশি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি থিয়েটারেও একজন দক্ষ শিল্পী হিসাবে তার ব্যাপক পরিচিতি ছিলো। তার মৃত্যু হলিউডে নিয়ে এসেছে একটি দুঃখজনক দিন।

১৯৬৪ সালে জুলি অ্যান্ড্রুজের বিপরীতে মেরি পপিন্স-এ অভিনয় করে সাড়া ফেলে দেন গ্লাইনিস। জনস ক্লাসিক ডিজনি মিউজিক্যাল এ চলচ্চিত্র জিতে নেয় পাঁচটি অস্কার। 

এরপর ১৯৭৩ সালে টনি পুরস্কার জিতেছিলেন স্টিফেন সন্ডহেইমের ব্রডওয়ে মিউজিক্যাল ‘এ লিটল নাইট মিউজিক’-এ ডেসারি আর্মফেল্ট অভিনয়ের মধ্য দিয়ে।

তার প্রথম বড় পর্দার চরিত্র ছিলো ১৯৪৮ সালে, মারমেইড মিরান্ডা চলচ্চিত্রে। এই কমেডি ফিল্মে তার অভিনয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যে তিনি তারকা খ্যাতি পান।

১৯৬০ সালের দ্য সানডাউনার্স চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা সহায়ক অভিনেত্রীর একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন।

তিনি ব্যাটম্যানসহ বিভিন্ন টিভি প্রোগ্রামে কাজ করেছেন এবং ১৯৬৩ সালে আমেরিকান টেলিভিশনে তার নিজের সিটকম গ্লাইনিসে অভিনয় করেছিলেন।

১৯৯৫ সালে ফিল্ম হোয়াইল ইউ ওয়্যার স্লিপিং চলচ্চিত্রে স্যান্ড্রা বুলক এবং ১৯৯৯ সালে সুপারস্টার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য।

শেষ বছরগুলিতে তিনি হলিউডের একটি বৃদ্ধাশ্রমে বাস করতেন, সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।