সালমান খানের ভাইরাল চিঠি

বলিউডের ‘ভাইজান’ সালমান খানের হাতে লেখা একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সালমান খান সিনে ব্লিটজ ম্যাগাজিনে ভক্তদের সম্বোধন করে চিঠিটি লেখেন ৩৫ বছর আগে ১৯৯০ সালে।

সোশ্যাল মিডিয়া এবং পাপারাজ্জি ক্লিকের আবির্ভাবের আগে জনপ্রিয় তারকারদের সহজে সাক্ষাৎ পাওয়া যেতো না। কয়েক বছর আগ পর্যন্ত একজন সুপারস্টারকে দেখার একমাত্র উপায় ছিলো বড় পর্দায়।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, নিজের ছবির দর্শকদের উদ্দেশেই এই আবেগঘন চিঠি লিখেছিলেন সালমান খান। ১৯৮৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছিলো সালমান খানের ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’। তার ঠিক পরপরই এই চিঠিটি লেখা হয়েছিলো সালমান-ভাগ্যশ্রী জুটির এই ছবি ছিলো সুপারহিট। তার সেই ছবি ঘিরে দর্শকদের ভালোবাসা দেখে অভিভূত ছিলেন সালমান। লিখেছিলেন লম্বা এই চিঠি।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সালমান লেখেন, আমি চাই আপনারা আমার সম্পর্কে একটা ছোট্ট বিষয় জানুন। প্রথমত, আমাকে গ্রহণ করার জন্য এবং আমার অনুরাগী হওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আশা করি, আমার ছবির মাধ্যমে আমি আপনাদের প্রত্যাশা পূরণের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।

Maine Pyar kiya

সালমান আরও লেখেন, আমি সিনেমা করার বিষয়ে বেশ খুঁতখুঁতে। আমি আমার বিচার–বুদ্ধি থেকে ভালো চিত্রনাট্য বেছে নেয়ার চেষ্টা করি। কারণ, আমি জানি এখন আমি যাই করি না কেন তার সঙ্গে ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’র তুলনা করা হবে। তাই আপনারা যখনই আমার ছবির ঘোষণা শুনবেন, নিশ্চিত থাকুন সে একটা ভালো ছবি হতে চলেছে। আর আমি সেই ছবিতে আমার ১০০ শতাংশ দেব।

শেষে সালমান লেখেন, আমি আপনাদের ভালোবাসি। আশা করি আপনারাও আমাকে এভাবেই ভালোবাসতে থাকবেন। কারণ, যেদিন আপনারা আমাকে ভালোবাসা বন্ধ করে দেবেন, যেদিন আপনারা আমার ছবি আর দেখবেন না, সেদিনই আমার শেষ।

চিঠিতে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কথা বলেন সালমান। তিনি বলেন, আমার জীবন একটা খোলা বই-এর মতো।

সালমান খান

সল্লুর কথায়, আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমার তেমন কিছু বলার নেই, আপনারা সবই জানেন। লোকে বলে, আমি পেরেছি। আমি অবশ্য তা মনে করি না। আমি এখনো সেটা তৈরি করতে পারিনি, তবে আমি একটা জিনিস জানি যে আপনারা আমাকে গ্রহণ করেছেন।

সবশেষে লেখেন, আপনাদের প্রিয় সালমান খান।

Maine Piyar Kiya

বরজাতিয়া পরিচালিত ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ ছবিতে প্রধান অভিনয় করেছিলেন সালমান ও ভাগ্যশ্রী। ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে ছিলেন অলোক নাথ, রিমা লাগু, মোহনিশ বেহল, রাজীব ভার্মা, অজিত ভাচানি।