শীত আসলেই প্রতিবার বাড়ে বায়ু দূষণ। এবারও বাড়ছে। প্রায় দিনই বিশ্বে বায়ু দূষণের নতুন রেকর্ড করছে বাংলাদেশ। বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যাপক কর্মযজ্ঞ, পরিবেশ অধিদপ্তরের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলেও জানাচ্ছে সংস্থাটি। বায়ু দূষণরোধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে রাষ্ট্রকে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ চিকিৎসকের।
রাজধানীজুড়ে এমনকি দেশের বিভিন্ন শহরের বায়ুর মান বাসযোগ্য নয়, একদিন নয়, দু’দিন নয়; বছরের পর বছর। এর মাঝেই আমাদের নিত্য বসবাস। ব্যক্তির কর্ম, জনগণের জন্য রাষ্ট্রের উন্নয়ন এসব বায়ু দূষণের নিয়ামক। নানা উদ্যোগেও কমছে না বায়ু দূষণ।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুদূষণ নির্ণায়ক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার- অনুযায়ী দৈনিক বায়ুর মানের হিসাব বলছে নভেম্বর মাসজুড়েই বাড়তে থাকে বায়ু দূষণ। আগের বছরগুলোর মতো এবারও হচ্ছে। বায়ু দূষণের মধ্যেই জীবিকা নির্বাহ করতে হয় শ্রমজীবীদের। দূষণের মধ্যে চলে কর্মজীবীদের চলাফেরা।
যেহেতু দূষণের মধ্যেই নিতে হচ্ছে শ্বাস। তাই দীর্ঘমেয়াদে ঘটছে রোগব্যাধি ও অকাল মৃত্যুও। নাক কান গলা (ইএনটি) বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুস সালাম বলছেন, শীত মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হয়, বায়ু থাকে শুষ্ক।ৱ আর নানা ধরনের উপাদান বাতাসে মিশে কমিয়ে দেয় বায়ুর মান।
বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যায়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) পরিচালক অধ্যাপক আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার এবং পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের(পবা) কার্যকরী সভাপতি ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, বায়ু দূষণ রোধে সরকারের নানা উদ্যোগ আছে, তবু কমছে না এই বায়ু দূষণ।
পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, শীতকালে বায়ু দূষণ বাড়ে এটা জানে পরিবেশ অধিদপ্তর। জানা গেলো তাদের নানা উদ্যোগের কথাও।
বাংলাদেশে বায়ুর মান কবে বাসযোগ্য হবে সেটা বলা মুশকিল। তবে বায়ু দূষণ নিয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর কথাও বলছেন সংশ্লিষ্টরা।