মারিউপোলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ সফল করতে ইউক্রেনের বন্দর শহর মারিউপোলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার (৩০ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কিয়েভ। 

রুশ মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই মানবিক অভিযান সফল করার জন্য, আমরা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার এবং রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির সরাসরি অংশগ্রহণে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব করছি।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, মারিউপোল থেকে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত বারদিয়ানস্ক বন্দর হয়ে জাপোরিঝিয়া পর্যন্ত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় মানবিক করিডোরের কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে কিয়েভকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টার আগে রাশিয়া, ইউএনএইচসিআর ও আইসিআরসিকে লিখিতভাবে যুদ্ধবিরতির জন্য `নিঃশর্ত সম্মতি' জানাতে বলেছে রুশ মন্ত্রণালয়।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে আরও বলেছে, ২৪ ঘন্টার জন্য মারিউপোল থেকে জাপোরিঝিয়া পর্যন্ত চারটি নতুন মানবিক করিডোর খোলার বিষয়ে কিইভের একটি প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে তারা।

আরও পড়ুন: জলদস্যু আতঙ্কে বরিশালের তরমুজ চাষীরা

অন্যদিকে তুরস্কের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনায় সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও বুধবার (৩০ মার্চ) উত্তর ইউক্রেনের অবরুদ্ধ চেরনিহিভ শহরে বোমা হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। 

চেরনিহিভের মেয়র ভ্লাদিস্লাভ অ্যাস্ট্রোশেঙ্কোর বলেন, রুশ বোমা হামলা গত ২৪ ঘন্টায় আরও তীব্র হয়েছে এবং এক লাখের বেশি মানুষ শহরে আটকা পড়েছে। 

আরও পড়ুন: গন্ধযুক্ত ও খাবার অযোগ্য পানি হলেও কিছু পায় না ওয়াসা

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়ান সেনাবাহিনী। রাশিয়ার দাবি, পশ্চিমভিত্তিক ন্যাটো সামরিক জোটকে ঠেকাতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পুতিন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপের বুকে এমন যুদ্ধ দেখলো বিশ্ব। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে। শুরুতে রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারলেও ধীরে ধীরে পশ্চিমাদের ওপর পাল্টা চাপ সৃষ্টি করেছে দেশটি। 


একাত্তর/আরবিএস