ডাকাত আর জলদস্যুদের আতঙ্কে অতিষ্ঠ বরিশালের তরমুজ চাষীরা। তারা বলছেন, টানা আট বছর ধরে তেতুঁলিয়া নদী পথে ডাকাতির শিকার হচ্ছেন তারা।
বিশেষ করে ভোলার খাসের হাট আর বাউফলের ধুলিয়া এলাকার পাঁচটি স্পটে ডাকাতি বেশি হচ্ছে। তাই এসব পথে নৌ পুলিশের টহল চেয়েছেন তারা।
তিন দশক ধরে ভোলা আর পটুয়াখালী জেলার চাষীদের কাছে প্রধান অর্থকরি ফসল হয়ে উঠেছে তরমুজ। প্রতিবছর ফলনও ভালো হয়।
তবে মৌসুমের শুরুতেই এই ফসল নিয়ে আতঙ্কে থাকেন চাষীরা। মোকামে নেয়ার সময় রাত হলেই ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যায়।
ট্রলার মালিকরা বলছেন, ভোলার খাসের হাট আর বাউফলের ধুলিয়া এলাকার পাঁচটি স্পটে ডাকাতি বেশি হয়।
তরমুজের মৌসুমে ডাকাতি প্রবণ ওই এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ ও কোস্টগার্ডের তৎপরতা বাড়ানো দরকার বলছেন ব্যবসায়ী নেতারা ।
এ বিষয়ে পুলিশ বলছে, চাষী এবং ব্যবসায়ীদের এই সমস্যা সমাধানে তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
বরিশাল অঞ্চলে তিন জেলায় দেড়’শ কোটি টাকার তরমুজ বাণিজ্য হয়। আর এর সাথে জড়িত আছেন নব্বই হাজার তরমুজ চাষীসহ শ্রমিক ও ব্যবসায়ী মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ।
