ভারতে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক ধরপাকড় ও মামলা

ভারতে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ করায় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ২২টি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে কমপক্ষে ২৫৫ জনকে। সাহরানপুর এবং কানপুরে দুই প্রতিবাদকারীর বাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। 

এদিকে বিজেপির বহিষ্কৃত নেতা নাভিন জিন্দালের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে, আতঙ্কে দিল্লি ছেড়েছে তার পরিবার। 

বরাবরের মতোই মুসলিমদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ করায় নির্বিচারে মামলা, গণহারে গ্রেপ্তারের শিকার হচ্ছেন তারা। 

শুক্রবারের বিক্ষোভের পর উত্তর প্রদেশে ১৩টি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আড়াই শতাধিক। সাহরানপুর, কানপুরে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে বিক্ষোভে অংশ নেয়া দু'জনের বাড়ি। 

লখনৌ, সাহরানপুরসহ বিভিন্ন শহরে মহড়া দিয়েছে পুলিশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলেও জানায় পুলিশ। যে কোন সময় বড় ধরনের গোলযোগের আশঙ্কায় আছে তারা। 

ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে গুলিতে নিহত দুই প্রতিবাদকারীকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে বোলে অভিযোগ পরিবারের। 

বিক্ষোভে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ৯টি মামলা হয়েছে। অভিযোগ ২৬ জনের বিরুদ্ধে। পুলিশের নির্বিচার গুলিতে হতাহত হয়েছে সাধারণ মানুষও।

অশালীন মন্তব্যকারী বিজেপির বরখাস্ত হওয়া জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সমন পাঠিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। ২৫শে জুন হাজির হওয়ার আদেশ। 

আরও পড়ুন: কে এই নূপুর শর্মা, যার কথায় অস্বস্তিতে ভারত

মুম্বাই, পশ্চিমবঙ্গের পর পুনেতে আরেক মন্তব্যকারী বিজেপির দিল্লি শাখার বহিষ্কৃত গণমাধ্যম প্রধান নাভিন কুমারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। হত্যার হুমকি পেয়ে দিল্লি ছেড়েছে তার পরিবার।

হাওড়ার সহিংসতার জন্য কিছু রাজনৈতিক দলকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলগুলো দাঙ্গা বাঁধাতে চায় জানিয়ে প্রশ্ন রাখেন, বিজেপির পাপের কেনো জনগণ ভুগবে? 

এদিকে হাওড়া পরিদর্শনে গিয়ে আটক হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের দাবি দলটির।


একাত্তর/এসজে