ভারতে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মসংস্থান প্রকল্প ‘অগ্নিপথ’ নিয়ে বিক্ষোভ দেশটির সাত রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বিহারে শনিবার সকালেও বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
এর আগে শুক্রবার পুলিশের সাথে সংঘর্ষে তেলেঙ্গানায় একজন নিহত ও ১৫ জনেরও বেশি আহত হয়। সেকেনদারাবাদে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে আগুন দেয়া হয়।
অন্তত সাতটি ট্রেনে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভের জন্য উত্তর প্রদেশে কমপক্ষে ২৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভের আঁচ এসেছে পশ্চিমবঙ্গেও।
বিহার, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখন্ড, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, মধ্যপ্রদেশের মতো যেসব রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীতে বেশি যুবক যোগ দেন, সেখানকার পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। বাদ নেই পশ্চিমবঙ্গও।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চলছে রেল-সড়ক অবরোধ।বাতিল হয়েছে কলকাতা ও হাওড়ার বেশ কিছু যাত্রীবাহী ট্রেনের সূচি। উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়ও শুরু হয়েছে বিক্ষোভ।
শনিবার বাতিল হয়েছে মালদহ টাউন-নিউদিল্লি এক্সপ্রেস ট্রেন। এ ছাড়া, বাতিল হয়েছে হাওড়া-দেহরাদূন কুম্ভ এক্সপ্রেস, হাওড়া-পটনা জনশতাব্দী এক্সপ্রেস।
ভারতের রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিক্ষোভের ফলে ৩০টি ট্রেন আক্রান্ত হয়েছে। ১২টিতে আগুন দেয়া হয়েছে। দুশ’র বেশি ট্রেন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে। ১১০টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ওমিক্রনে ‘লং কোভিডে’ আক্রান্ত হবার ঝুঁকি কম
গেলো বুধবার ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প চালু করা হয়। এই প্রকল্প অনুযায়ী সাড়ে ১৭ থেকে ২১ বছর বয়সীদের সশস্ত্র বাহিনীতে চার বছরের জন্য নিয়োগ করা হবে।
চার বছর পর ২৫ শতাংশ চাকরিতে বহাল থাকবেন। বাকিদের চলে যেতে হবে। যারা স্থায়ী হবেন না, তারা হাতে পাবেন এককালীন ১১ লাখ ৭৭ হাজার করমুক্ত টাকা।
একাত্তর/এসি