করোনার অন্য ধরনগুলোর তুলনায় ওমিক্রনে আক্রান্তদের লং কোভিড বা দীর্ঘ কোভিডের ঝুঁকি কম। বিজ্ঞানীদের এ বিষয়ক প্রথম এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
অ্যাপের মাধ্যমে নেয়া তথ্য ব্যবহার করে কিংস কলেজের গবেষকরা দেখেছেন, ডেল্টার তুলনায় ওমিক্রন ঢেউয়ের সময় আক্রান্তদের মধ্যে দীর্ঘ কোভিডের হার ২০-৫০ শতাংশ কম ছিল।
তবে গবেষণায় দেখা গেছে, ওমিক্রনের সংক্রমণ থেকে সুস্থ হবার এক মাস পরও পাঁচ শতাংশ মানুষ মাথা ব্যথা ও ক্লান্তিসহ নানা ধরনের উপসর্গে ভুগে থাকেন।
রোগীদের বয়স ও শেষ টিকা নেয়ার সময়ের ভিত্তিতে দীর্ঘ কোভিডের হারে এ তারতম্য দেখা গেছে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা।
আরও পড়ুন: সাগরে ভাসলো চীনের তৃতীয় রণতরী ‘ফুজিয়ান’
তারা জানিয়েছেন, ওমিক্রন অতিসংক্রমক হলেও মৃত্যুঝুঁকি কম থাকায় মানুষ এ ধরনকে পাত্তা দিচ্ছে না। যার কারণে ব্যাপক টিকাকরণের পরও মহামারী থেকে বেরিয়ে আনা যাচ্ছে না।
করোনা আক্রান্ত হওয়ার ১২ সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও রোগীর দেহে ক্লান্তি ও মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়াসহ অসুস্থতার লক্ষণ থেকে গেলে তাকে লং বা দীর্ঘ কোভিড বলা হয়।
একাত্তর/এসি
