রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে গোটা বিশ্ব যখন তোলপাড়, তখন এই যুদ্ধের কোন আঁচড়ই পরতে পারেনি এক প্রেমের সম্পর্কে। আবারো প্রমাণ হলো প্রেম-ভালোবাসার কোন সীমান্ত নেই।
প্রেমিকার বাড়ি ইউক্রেনে, আর প্রেমিকের বাড়ি রাশিয়ায়। এই দুই দেশ এখন অপরের শত্রু। তাই বলে সেই শত্রুতা কোন প্রভাব ফেলতে পারেনি এই যুগলের সম্পর্কে।
দুই প্রাণের ভালবাসা আটকে থাকলো তাদের নিজস্ব ভূখণ্ড। শুধুমাত্র মিলনের তাড়ায় তারা নিজ নিজ দেশ ছেড়ে চলে আসেন ভারতে। সেখানেই তারা বিয়ের বাঁধনে জড়ালেন।
তাও আবার বিয়ে হল একেবারে হিন্দু রীতি মেনে। সনাতনী হিন্দু বিবাহরীতি মেনে তাঁরা গাঁটছড়া বাঁধলেন, বাঁধা পড়লেন সাতপাকে।
বিয়ের পোশাকেও ছিলো ভারতীয় ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির ছাপ। রুশ ছেলে সার্গেই নোভোকভ পরেছিলেন মেরুন কুর্তা-পাজামা আর নেহেরু জ্যাকেট।
অন্যদিকে ইউক্রেনের কনে ইলোনা ব্রামোকার পরনে ছিলো লাল ও সোনালি লেহেঙ্গা। এছাড়া গলায় ছিলো মালা। আর স্বর্ণের অলঙ্কার। বিয়েতে যোগ দেন স্থানীয় মানুষজনও।
হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায় এই বিয়ের আসর বসেছিলো খারোতা গ্রামের এক মন্দিরে। বিয়েতে বরকনের কয়েকজন বিদেশি বন্ধুও উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শাহরুখকে সামলে নিলেন বড় ছেলে আরিয়ান
হোমকুণ্ডের সামনে বসে মন্ত্র পড়ে বিয়ে করেন নোভাকভ আর ব্রামোকা। পুরোহিত যাবতীয় হিন্দু রীতি মেনেই বিয়ে দেন তাদের। বিয়েটাও হলো মন্দিরে। ঈশ্বরের সামনে।
একাত্তর/এসজে