'স্যাটানিক ভার্সেস'র দুই পৃষ্ঠা পড়েছেন রুশদির হামলাকারী

বুকার জয়ী লেখক সালমান রুশদির ওপর হামলাকারী জানিয়েছেন, রুশদির লেখা বিতর্কিত বই স্যাটানিক ভার্সেসের দুই পৃষ্ঠা পড়েছিলেন তিনি। 

কারাগারে বসে নিউইয়র্ক টাইমসকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী হাদি মাতার। সেখানেই তিনি জানান, স্যাটানিক ভার্সেসের দুই পৃষ্ঠা পড়েছেন তিনি। 

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমি তাকে পছন্দ করি না। আমি মনে করি না তিনি একজন ভালো মানুষ। তিনি ইসলামকে আক্রমণ করেছেন, তাদের বিশ্বাসকে আক্রমণ করেছেন।' 

তবে, সালমান রুশদির বিরুদ্ধে ইরানের আরোপিত ফতোয়া দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি এই হামলা চালিয়েছেন কিনা তা তিনি নিশ্চিত করেননি। 

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, 'আয়াতুল্লাহকে আমি সম্মান করি। আমি মনে তিনি একজন মহান ব্যক্তি। এর চেয়ে বেশি আর কিছু আমার বলার নেই।' 

সালমান রুশদি হামলার পরও বেঁচে গেছেন শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রকে 'এক-চীন নীতি' মেনে চলার আহবান

এদিকে, এ ঘটনার পর হাদি মাতারকে ত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন তার মা সিলভানা ফারদোস। নিজের ছেলেকে কিছু বলার নেই বলে জানান তিনি। 

হাদি মাতার বর্তমানে নিউইয়র্কের শাওতাকোয়া কাউন্টি জেলে অবস্থান করছেন। এ হামলার ঘটনায় নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন তিনি। 


একাত্তর/এসজে