ইউক্রেনের বিভিন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নতুন করে হামলা

ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে নতুন করে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। যার শিকার হয়েছে দেশটির পশ্চিম, মধ্য, দক্ষিণ এবং পূর্বাঞ্চল। বিদ্যুৎহীন ১৫ লাখের বেশি মানুষ। এরমধ্যেই দখলকৃত খেরসনে পাল্টা হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন।

দখলকৃত দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন পুনরুদ্ধারে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইউক্রেন। রাশিয়া জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে আরো বৃহৎ বড় হামলার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেনীয় বাহিনী।

প্রাণ বাঁচাতে অবিলম্বে শহর ছাড়তে বাসিন্দাদের আহ্বান জানিয়েছে রুশ নিয়োগকৃত কর্তৃপক্ষ। শনিবার এক বার্তায় বলা হয়, ফ্রন্টলাইনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ব্যাপকভাবে গোলা ও সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছে ইউক্রেন। ছয় দিনে প্রায় ৬০ হাজার বাসিন্দাকে সরানোর পরিকল্পনা রাশিয়ার।

ইতোমধ্যে ২৫ হাজার নাগরিক সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কিয়েভ জানায়, রুশ দখল থেকে খেরসনে দুটি গ্রাম পুনরুদ্ধার করেছে তারা।

স্থলযুদ্ধে বিপর্যয়ের মুখে ইউক্রেনজুড়ে অব্যাহতভাবে মিসাইল, রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী।শনিবার জেলেনস্কি জানান, রুশ হামলায় বিপর্যস্ত ইউক্রেনে আরো ৩৬টি রকেট নিক্ষেপ করেছে আগ্রাসীরা। অধিকাংশ রকেট প্রতিহত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জেলেনস্কি জানান, এ মুহূর্তে আকাশ পথে করা শতভাগ রুশ হামলা প্রতিহতের সক্ষমতা তাদের নেই। তবে মিত্রদের সহায়তায় ধীরে ধীরে সে সক্ষমতা অর্জন করছে কিয়েভ।

১০ অক্টোবর থেকে চালানো রুশ হামলায় ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। বিদ্যুৎহীন ১৫ লাখের বেশি গ্রাহক। ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসাসহ জরুরি জননিরাপত্তা কার্যক্রম।

ইউক্রেনে হামলায় রাশিয়া ইরানের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

যদি তা সত্যি হয়ে থাকে ইরানের কর্মকাণ্ড নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ প্রস্তাবনার লঙ্ঘন। অভিযোগ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানিয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন।

তাদের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রণালয়। বলা হয়েছে, গ্রুপ থ্রিয়ের আহ্বান মিথ্যা-ভিত্তিহীন। ইরান অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছে, নিন্দা জানাচ্ছে।


একাত্তর/এসজে/আরএ