গ্রীসে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ৫৭ জনের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিস। অন্যদিকে, এ ঘটনায় বিচারের অপেক্ষায় থাকা স্টেশন মাস্টারকে আটকের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৫ মার্চ) ফেসবুকে এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘গ্রীসে ২০২৩ সালে এসে...ভিন্ন দিকে যেতে থাকা দুটি ট্রেন একই লাইনে চলবে, আর তা কারও নজরে আসবে না- এটা হতে পারে না।’
এ দুর্ঘটনার জন্য মানুষের ভুলকে দোষারোপ করে তিনি বলেন, কয়েক দশকের অবহেলা এই দুর্যোগে অবদান রেখে থাকতে পারে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি সকলের কাছে ঋণী, তবে নিহতদের আত্মীয়স্বজনদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আদালত খুব দ্রুত এই ট্র্যাজেডির তদন্ত করবে এবং দায় নির্ধারণ করবে।’
এ ঘটনার পর থেকে গ্রিসে চলছে গণবিক্ষোভ। রোববার দেশটির রাজধানী এথেন্সে বিক্ষোভে যোগ দেয় হাজার হাজার মানুষ। এক পর্যায়ে সেখানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়।
পুলিশের ধারণা, অন্তত ১২ হাজার মানুষ এই বিক্ষোভে অংশ নেয়।
এদিকে, দুর্ঘটনাস্থল ল্যারিসা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টারকে আটকের পর কারাগারে পাঠিয়েছে দেশটির পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পরিবহন বিঘ্নিত করা এবং জীবন ঝুঁকিতে ফেলার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
গ্রিক সংবাদপত্র ইক্যাথিমেরিনি অনুসারে, পরিবহন নিরাপত্তার দায়ে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
আরও পড়ুন: চীনা সামরিক বাজেট সাত শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা
ওই স্টেশন মাস্টারের আইনজীবী স্টেফানোস প্যান্টজারজিডিস বলেছেন, প্রায় ২০টি অভিশপ্ত মিনিটের জন্য তিনি পুরো মধ্য গ্রিসের নিরাপত্তার জন্য দায়ী ছিলেন।
তিনি জানান, তার মক্কেল ‘আনুপাতিক’ দায় স্বীকার করেছেন, তবে এ দুর্ঘটনায় অন্যান্য বিষয়ও কাজ করেছে।
একাত্তর/এসজে