তাইওয়ান প্রণালিতে ‘মুখোমুখি’ চীনা ও মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

তাইওয়ান প্রণালিতে চীনের সাথে ‘বিপজ্জনক মিথস্ক্রিয়ার’ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী, যেখানে একটি চীনা যুদ্ধজাহাজকে সংবেদনশীল জলপথে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজের সামনে দিয়ে যেতে দেখা গেছে। 

রোববার গভীর রাতে মার্কিন নৌবাহিনীর দ্বারা প্রকাশিত ভিডিওটিতে, একটি চীনা যুদ্ধজাহাজকে শান্ত সাগরে মার্কিন জাহাজের পথ ধরে যাত্রা করতে দেখা যায়। তবে মার্কিন জাহাজটি নিজের পথ পরিবর্তন করেনি। 

সামরিক আলোচনা না করার জন্য একে অপরকে দোষারোপ এবং বাণিজ্য থেকে শুরু করে ইউক্রেনে আগ্রাসন পর্যন্ত সবকিছু নিয়ে উভয়ের মধ্যে মতানৈক্যের মধ্যে এই ঘটনা ভবিষ্যতে মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। 

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইউএসএস চুং-হুন এবং কানাডার এইএসএমসি মন্ট্রিল শনিবার প্রণালিতে একটি ‘রুটিন’ ট্রানজিট পরিচালনা করছিল, যখন চীনা জাহাজটি মার্কিন জাহাজের দেড়শ’ গজের মধ্যে চলে আসে। 

এসময় একটি কণ্ঠস্বরকে ইংরেজিতে একটি রেডিও বার্তা পাঠাতে শোনা যায়, যেখানে ‘ন্যাভিগেশনের স্বাধীনতা সীমিত করার প্রচেষ্টার’ বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়, যদিও বাতাসের শব্দের কারণে শব্দগুলো অস্পষ্ট।

চীন এ সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি এবং দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্তব্যের জন্য অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

এর আগে, শনিবার রাতে যৌথ যাত্রার মাধ্যমে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ঝুঁকি উসকে দেয়ার’ জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডাকে তিরস্কার করে চীনের সামরিক বাহিনী।

চীনা সামরিক ভাষ্যকার সং ঝংপিং রয়টার্সকে বলেছেন, এই ‘পয়েন্ট ব্ল্যাংক দুরত্বে বাধা’ চীনের নৌবাহিনীর সক্ষমতা এবং ‘সাহস’ উভয়েরই একটি প্রদর্শনী।

আরও পড়ুন: দোনেৎস্কে বড় হামলা ঠেকিয়ে ২৫০ সেনা হত্যার দাবি রাশিয়ার

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এটি ছিল দুই দেশের এভাবে মুখোমুখি হওয়ার দ্বিতীয় ঘটনা।

গত ২৬ মে একটি চীনা যুদ্ধবিমান আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় একটি মার্কিন সামরিক বিমানের কাছে ‘অপ্রয়োজনীয়ভাবে আক্রমণাত্মক’ কৌশল চালায় বলে অভিযোগ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।


একাত্তর/এসজে